NEWSTV24
তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে গোলের বন্যা, জয়ী ইংল্যান্ড
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬ ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন
NEWSTV24

NEWSTV24

বিশ্বকাপ স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ায় যেন নিজেদেরই হারিয়ে ফেলেছিল ফ্রান্স। অন্তত প্রথমার্ধে তাদের নিয়ে যে ছেলেখেলায় মেতে ওঠে ইংল্যান্ড, তাতে তেমন ধারণাই মেলে। তবে চার গোল হজমের পর, ঘুরে দাঁড়িয়ে লড়াই জমিয়ে তুলল ফরাসিরা। দারুণ দুটি রেকর্ডের দেখাও মিলল। যদিও শেষ পর্যন্ত হার এড়াতে পারল না তারা। বুকায়ো সাকার হ্যাটট্রিকে শেষটা জয়ে রাঙাল টমাস টুখেলের দল।মায়ামি গার্ডেন্সে শনিবার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে হলো গোলের উৎসব। চাপহীন ম্যাচের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ৬-৪ গোলে জিতল ইংল্যান্ড।বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ এটি। পেছনে পড়ে গেল ১৯৫৮ সালে পশ্চিম জার্মানির বিপক্ষে ফ্রান্সের ৬-৩ গোলে জেতা ম্যাচ।আর ১৯৬৬ সালে একমাত্র শিরোপা জয়ের পর, বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের সেরা সাফল্য এটি। আগে দুইবার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে হেরেছিল তারা- ১৯৯০ সালে ইতালির বিপক্ষে ও ২০১৮ সালে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে।

সাকার হ্যাটট্রিকের পাশাপাশি ইংল্যান্ডের অন্য তিন গোলদাতা হলেন ডেক্লান রাইস, এজরি কন্সা ও জুড বেলিংহ্যাম। ফ্রান্সের হয়ে দুটি গোল করে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড গড়েন কিলিয়ান এমবাপে। তাদের বাকি দুই গোলদাতা বাহডলে বাহকোলা ও উসমান দেম্বেলে।দুই দলই শুরুর একাদশে সাতটি করে পরিবর্তন এনে খেলতে নামে। যারা টুর্নামেন্টে খুব বেশি খেলার সুযোগ পাননি, ইংল্যান্ডের সেই সব ফুটবলাররা শুরু থেকেই চাপ তৈরি করে। সঙ্গে পাল্টা আক্রমণ করতে থাকে ফ্রান্স।ইংল্যান্ড বল দখলে একটু এগিয়ে থাকলেও, গোলের জন্য দুই দলই সমান ১৯টি করে শট নেয়। ইংলিশরা ১১টি আর ফরাসিরা ৯টি লক্ষ্যে রাখতে পারে।ম্যাচের তৃতীয় মিনিটে দ্বিতীয় আক্রমণেই এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। মাঝমাঠে প্রতিপক্ষের একটা ভুল পাস দারুণভাবে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ছুটে যান রাইস, ডি-বক্সের বাইরে তাকে কেউ চ্যালেঞ্জ না জানানোয় প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে জোরাল শটে ঠিকানা খুঁজে নেন আর্সেনাল মিডফিল্ডার।বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় দ্রুততম গোলের কীর্তি গড়লেন রাইস, দুই মিনিট ১৪ সেকেন্ডে। দেশটির দ্রুততম গোলের রেকর্ড ব্রায়ান রবসনের, ১৯৮২ আসরে ফ্রান্সের বিপক্ষেই ২৮ সেকেন্ডে।একাদশ মিনিটে প্রথম ভালো সুযোগ তৈরি করে ফ্রান্স। দেজিরে দুয়ের জোরাল শট ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন জর্ডান পিকফোর্ড। পরের মিনিটেই পাল্টা আক্রমণে জালে বল পাঠান বুকায়ো সাকা, তবে তিনিই অফসাইডে ছিলেন।