NEWSTV24
সংসদের তৃতীয় অধিবেশন বসছে আগামীকাল
বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১২:০৮ অপরাহ্ন
NEWSTV24

NEWSTV24

ত্রয়োদশ সংসদের তৃতীয় অধিবেশন বসছে আগামীকাল বৃহস্পতিবার। অধিবেশন শুরু হবে বিকাল ৩টায়। সংসদ সচিবালয় সূত্র জানিয়েছে, সাধারণত বছরের এই সময়ে অধিবেশন খুব একটা দীর্ঘ হয় না। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা থাকায় মূলত এই অধিবেশন ডাকা হয়ে থাকে। এ সময়ে অধিবেশন সপ্তাহখানেক চলে। এবারের অধিবেশন কত দিন চলবে, তা অধিবেশন শুরু হওয়ার আগে জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে চূড়ান্ত করা হবে। এই অধিবেশনে কয়েকটি বিল পাস হওয়ার কথা রয়েছে।এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সভা-সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা ও বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। বুধবার রাত ১২টা থেকে অধিবেশন শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে বলে এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

গত সোমবার ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদের সই করা গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার থেকে অনুষ্ঠেয় অধিবেশন যাতে নির্বিঘ্নে চলে তা নিশ্চিত করতে জাতীয় সংসদ ভবন ও সন্নিহিত এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় এ নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত এলাকায় সব ধরনের অস্ত্র, বিস্ফোরক দ্রব্য, ক্ষতিকারক ও দূষণীয় দ্রব্য বহন এবং যেকোনো ধরনের সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা ও বিক্ষোভ নিষিদ্ধ থাকবে। যেসব এলাকা নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছে, তার মধ্যে রয়েছে ময়মনসিংহ রোডের মহাখালী ক্রসিং থেকে পুরনো বিমানবন্দর হয়ে বাংলামোটর ক্রসিং পর্যন্ত; বাংলামোটর লিংক রোডের পশ্চিম প্রান্ত থেকে হোটেল সোনারগাঁও রোডের সার্ক ফোয়ারা পর্যন্ত; পান্থপথের পূর্ব প্রান্ত থেকে গ্রিন রোডের সংযোগস্থল হয়ে ফার্মগেট পর্যন্ত। এ ছাড়া মিরপুর রোডের শ্যামলী মোড় থেকে ধানমন্ডি ১৬ (পুরনো ২৭) নম্বর সড়কের সংযোগস্থল, রোকেয়া সরণির সংযোগস্থল থেকে পুরনো নবম ডিভিশন (উত্তরা জাহাজ) ক্রসিং হয়ে বিজয় সরণি পর্যটন ক্রসিং, ইন্দিরা রোডের পূর্ব প্রান্ত থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের পশ্চিম প্রান্ত, জাতীয় সংসদ ভবনের সংরক্ষিত এলাকা এবং এসব সীমানার মধ্যে থাকা সব রাস্তা ও গলিপথ এর আওতায় থাকবে।

সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন শেষ হয় গত ১৫ জুলাই। ৭ জুন শুরু হওয়া ওই অধিবেশন চলে ২৬ কার্যদিবস। ১১ জুন সংসদে বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়; ৩০ জুন তা পাস হয়। বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনা হয় ১৪ কার্যদিবসে। মোট ৪৮ ঘণ্টা ৫১ মিনিটের আলোচনায় অংশ নেন ৩১৬ জন সংসদ সদস্য। ওই অধিবেশনে ১০টি সরকারি বিল পাস হয়েছে। কার্যপ্রণালি বিধির ৭১ বিধিতে ৭১৫টি নোটিস জমা পড়ে। এর মধ্যে ২৪টি গৃহীত হয় এবং ২২টির ওপর আলোচনা হয়। ৭১(ক) বিধিতে দুই মিনিটের ১২৫টি নোটিসের ওপর আলোচনা হয়। ১৩১ বিধিতে চারটি সিদ্ধান্ত প্রস্তাব আলোচনা ও নিষ্পত্তি করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উত্তর দেওয়ার জন্য ২৭৮টি প্রশ্ন জমা পড়ে। এর মধ্যে ৩৫টির উত্তর টেবিলে উপস্থাপন করা হয়। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের জন্য জমা পড়ে পাঁচ হাজার ৩১টি প্রশ্ন। এর মধ্যে তিন হাজার ৪৭৪টির উত্তর দেওয়া হয়েছে। এ অধিবেশনে সংবিধান সংশোধনসংক্রান্ত বিশেষ কমিটিসহ ১১টি কমিটি গঠন করা হয়। কার্য উপদেষ্টা কমিটিও পুনর্গঠন করা হয়েছে।