কক্সবাজারে ফ্লাই ডাইনিং নামে একটি ঝুলন্ত রেস্টুরেন্টের যাত্রা শুরুমহামারীকালে বিশ্বে এইডস রোগীর সংখ্যা বেড়েছে১৭১০ জনকে নিতে ৪৪তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশডিসেম্বর বাঙালির আনন্দ-গৌরবের মাসশারীরিক উপস্থিতিতে শুরু আপিল বিভাগের বিচারকাজ
No icon

ইসির টার্গেট ৩৫শ নির্বাচন

আগামী ৫ মাসের মধ্যে প্রায় সাড়ে তিন হাজার প্রতিষ্ঠানের ভোট করতে চায় বর্তমান নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর মধ্যে আছে সিলেট-৩ ও কুমিল্লা-৭ আসনে উপনির্বাচন। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন, তিন হাজারের বেশি ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ ও উপনির্বাচনও এর অন্তর্ভুক্ত। ৩৫টি পৌরসভা, ১৩ উপজেলা ও ৬২টি জেলা পরিষদের সাধারণ নির্বাচনও আছে এ তালিকায়। করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলে ফেব্রুয়ারির মধ্যে পর্যায়ক্রমে নির্বাচনগুলো হবে।আজ অনুষ্ঠেয় কমিশন সভায় আলোচনার জন্য এসব বিষয় তোলা হচ্ছে। এছাড়া করোনার টিকার জন্য ১৬ বছরের নাগরিকদের নিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার জন্য বিশেষ কর্মসূচির প্রস্তাব এ সভার আলোচ্যসূচিতে রাখা হয়েছে।১৪ ফেব্রুয়ারি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদাসহ বর্তমান কমিশনারদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এর আগে নতুন সিইসি ও কমিশনার নিয়োগ দেওয়ার বিধান রয়েছে। এ হিসাবে মেয়াদ ৬ মাসেরও কম সময় রয়েছে।মেয়াদের বাকি সময়ের মধ্যে ভোটের আয়োজনের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলামের সঙ্গে রোববার কথা হয়। তিনি যুগান্তরকে বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠানের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে এবং যেগুলো পার হওয়ার পথে-আইনানুগভাবে ওইসব নির্বাচন শেষ করার পক্ষে আমার অবস্থান। এরমধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণগুলো অগ্রাধিকার পাবে। বাকি নির্বাচন সময়মতো করা যেতে পারে। তবে কমিশন কী পদক্ষেপ নেবে তা বৈঠকের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।

কমিশনের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, সিইসির নির্দেশনা ও তার সঙ্গে পরামর্শ করে বৈঠকের কার্যপত্র তৈরি হয়েছে। করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির কারণে দীর্ঘদিন পর হচ্ছে কমিশন সভা। এ সভার কার্যপত্রে মেয়াদোত্তীর্ণ এবং ডিসেম্বরের মধ্যে মেয়াদ শেষ হবে এমন সব নির্বাচনের তথ্য তুলে ধরা হচ্ছে। ডিসেম্বর পর্যন্ত কমবেশি ৩৫০০ প্রতিষ্ঠানে নির্বাচন করার উপযোগী হবে।গুরুত্ব পাচ্ছে স্থগিত নির্বাচনগুলো : করোনাভাইরাসের কারণে স্থগিত নির্বাচনগুলো আয়োজনে বেশি গুরুত্ব পাবে কমিশন সভায়। সাতটি আলোচ্যসূচির মধ্যে তিনটিতেই আছে স্থগিত নির্বাচন আয়োজনের বিষয়। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সিলেট-৩ আসনে উপনির্বাচন। প্রথম ধাপে খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার স্থগিত ১৬৩টি ইউনিয়ন পরিষদের ভোট নিয়ে হবে আলোচনা। এছাড়া সপ্তম ধাপের স্থগিত ৯টি পৌরসভার ভোটগ্রহণের বিষয়েও সিদ্ধান্ত আসতে পারে। এসব নির্বাচন সেপ্টম্বরে আয়োজনের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে ইসি। এছাড়া প্রথম ধাপের চারটি ইউনিয়ন পরিষদের (খুলনার হরিঢালী, বাগেরহাটের খাউলিয়া ও কচুয়া এবং সুনামগঞ্জের ভাতগাঁও) চেয়ারম্যান প্রার্থীর মৃত্যুতে সেগুলোতে নতুনভাবে নির্বাচনি তফসিল ঘোষণা করতে হবে। এ সিদ্ধান্ত আজ কমিশন সভা থেকে আসতে পারে।