NEWSTV24
ঈদের দ্বিতীয় দিনেও চলছে কোরবানি
শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬ ১২:২৬ অপরাহ্ন
NEWSTV24

NEWSTV24

ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিনেও রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির ব্যস্ততা অব্যাহত রয়েছে। প্রথম দিনে নানা কারণে কোরবানি দিতে না পারা অনেকেই আজ পশু জবাই ও মাংস প্রস্তুতের কাজ সম্পন্ন করছেন। কসাই সংকট, উপযুক্ত স্থান না পাওয়া কিংবা ব্যক্তিগত ব্যস্ততার কারণে যারা অপেক্ষায় ছিলেন, তাদের বড় একটি অংশ দ্বিতীয় দিনকে বেছে নিয়েছেন।আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর উত্তরা, ধানমন্ডি, পুরান ঢাকা, মিরপুর, মান্ডা, বাড্ডা ও মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, বাসাবাড়ি ও নির্ধারিত কোরবানির স্থানে চলছে পশু জবাই ও মাংস প্রস্তুতের কাজ। কোথাও পরিবারের সদস্যরা একসঙ্গে মাংস ভাগাভাগিতে ব্যস্ত, আবার কোথাও কসাইদের সহায়তায় চলছে কোরবানির আনুষঙ্গিক কার্যক্রম।অনেকের মতে, ঈদের প্রথম দিনে অতিরিক্ত ভিড় ও চাপের কারণে কোরবানি সম্পন্ন করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। নির্ধারিত স্থানে দীর্ঘ অপেক্ষা এবং কসাই না পাওয়ার সমস্যাও ছিল উল্লেখযোগ্য। ফলে অনেকে কোরবানি পিছিয়ে দ্বিতীয় দিনের জন্য রেখে দেন। আজ সেই চাপ তুলনামূলক কম থাকায় স্বস্তির সঙ্গে কোরবানি সম্পন্ন করতে দেখা গেছে নগরবাসীকে।

প্রতিবারের মতো এবারও কোরবানির মৌসুমে রাজধানীর বাইরে থেকে বহু মৌসুমি কসাই ঢাকায় এসেছেন। কয়েক দিনের জন্য তারা পশু জবাই ও মাংস প্রস্তুতের কাজে যুক্ত রয়েছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গরুর আকার ও এলাকাভেদে মাঝারি কিংবা বড় গরু প্রস্তুতে কসাইদের পারিশ্রমিক নেওয়া হচ্ছে প্রায় ৮ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। অন্যদিকে ছাগল প্রস্তুতের ক্ষেত্রে খরচ পড়ছে ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকার মধ্যে।এদিকে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সক্রিয়ভাবে কাজ করতে দেখা গেছে।ইসলামী বিধান অনুযায়ী ঈদুল আজহার প্রথম দিনের পাশাপাশি দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিনেও কোরবানি দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। সে কারণেই প্রতি বছর ঈদের পরের দিনগুলোতেও ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির কার্যক্রম অব্যাহত থাকে।