NEWSTV24
শীর্ষ ১০ ব্যয়বহুল শহরের তালিকা থেকে বাদ পড়ল দুবাই
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন
NEWSTV24

NEWSTV24

বিশ্বের ২৫টি বড় শহরের ধনী পরিবারগুলোর ব্যবহৃত ২০টি বিলাসবহুল পণ্য ও সেবার খরচ বিশ্লেষণ করে প্রতি বছর শীর্ষ ব্যয়বহুল শহরের তালিকা করা হয়। এবারের তালিকায় টানা চতুর্থবারের মতো শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে সিঙ্গাপুর। সুইজারল্যান্ডের জুরিখ উঠে এসেছে দ্বিতীয় স্থানে এবং মোনাকো প্রথমবারের মতো শীর্ষ তিনে জায়গা করে নিয়েছে। অন্যদিকে লন্ডন নেমে গেছে পঞ্চম স্থানে। অস্ট্রেলিয়ার সিডনি এক ধাক্কায় ছয় ধাপ এগিয়ে অষ্টম স্থানে উঠে এসেছে। তবে শীর্ষ ১০ ব্যয়বহুল শহরের তালিকা থেকে বাদ পড়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সর্ববৃহৎ এবং সবচেয়ে জনবহুল শহর দুবাই। বর্তমানে শহরটির অবস্থান ১৪ নম্বরে, যা আগের বছরের তুলনায় সাত ধাপ নিচে।সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বেসরকারি ব্যাংক জুলিয়াস বেয়ারের গ্লোবাল ওয়েলথ অ্যান্ড লাইফস্টাইল রিপোর্ট ২০২৬ অনুযায়ী, স্থানীয় বাজারে পণ্যের দাম কমায় দুবাইয়ের র;্যাংকিং কমেনি, বরং এর পেছনে মূল ভূমিকা রেখেছে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার। সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) মুদ্রা দিরহাম সরাসরি ডলারের সঙ্গে যুক্ত (পেগড)। ফলে বিশ্ববাজারে ডলারের বিপরীতে যখন ইউরো বা সুইস ফ্রাঁর মতো বড় মুদ্রাগুলোর বিনিময়ের হার শক্তিশালী হয়েছে, তখন সেসব অঞ্চলের শহরগুলো তালিকায় ওপরের দিকে উঠে এসেছে। এ কারণে দুবাই নিচের দিকে নেমে গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৬ সালে বিশ্বব্যাপী বিলাসবহুল জীবনযাত্রার ব্যয় ডলারের হিসাবে ১০ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে। এর মধ্যে গহনার দাম ১৬ দশমিক ৪ এবং ঘড়ির দাম ১৫ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে। কাঁচামালের ঊর্ধ্বমুখী দাম এবং দক্ষ শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধির কারণে সামগ্রিকভাবে ইউরোপের শহরগুলোয় খরচ বেড়েছে ১৪ দশমিক ১ শতাংশ।প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এ র;্যাংকিংয়ের কারণে দুবাইয়ের সার্বিক আকর্ষণে কোনো ভাটা পড়েনি। যারা স্থানীয় মুদ্রা দিরহামে খরচ করেন, তাদের জন্য জীবনযাত্রার ব্যয় আগের মতোই রয়েছে। এছাড়া বিশ্বজুড়ে ধনীদের কাছে দুবাই এখনো অন্যতম জনপ্রিয় শহর। বহিরাগত ধনীদের আকৃষ্ট করার ক্ষেত্রে দুবাইয়ের প্রধান সুবিধা হলো আবাসন খাতের তুলনামূলক কম দাম। লন্ডনের তুলনায় দুবাইয়ে বিলাসবহুল বাড়ি কিনতে অর্ধেকেরও কম খরচ হয়। পাশাপাশি অনুকূল কর ব্যবস্থা, উন্নত জীবনযাত্রা ও ব্যবসা-বাণিজ্যের দারুণ সুযোগের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ধনীদের আগমন ও বিনিয়োগ দুবাইয়ে আগের মতোই অব্যাহত রয়েছে।