প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, গণতান্ত্রিকের পথযাত্রায় যুক্তরাষ্ট্র বন্ধু প্রতিম রাষ্ট্র হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে যেভাবে ছিল বাংলাদেশের পাশে, সেভাবেই থাকবে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি যে আস্থা ও আত্মবিশ্বাস উনারা দেখিয়েছেন সেটার জন্য আমরা সাধুবাদ জানাই।শনিবার বিকেলে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। ব্রিফিয়ের সময়ে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, উপ প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি, সহকারি প্রেস সচিব নাজমুল হক প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।এ উপদেষ্টা বলেন, সামনের দিনগুলোতে মার্কিন ইনভেস্টমেন্ট যাতে বাড়ে তার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে আগামী সপ্তাহের শেষে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ স্থানীয় প্রায় ২৫ শিল্প এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে শীর্ষস্থানীয় প্রায় ৪৫ জন ব্যবসায়িক নেতৃবৃন্দ বা প্রথম সারির কর্মকর্তারা বাংলাদেশে আসবেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্তদের সঙ্গে তারা ধারাবাহিকভাবে বৈঠক করবেন। প্রধানমন্ত্রীর সাথেও তাদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূতের সাক্ষাতের তিনি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের উপর দৃঢ় আত্মবিশ্বাসের কথা বলা হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশে স্থীতিশীলতা ফেরত এসেছে। একটা সুন্দর গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা বহমান রয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী গত প্রায় পাঁচ মাস ধরে রাষ্ট্র পরিচালনায় যে পলিসিগুলো এডপ্ট করেছেন সেটিকে সাধুবাদ জানানো হয়েছে।মাহদী আমিন বলেন, অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যে সুসম্পর্ক রয়েছে, বহুমাত্রিক এবং বহুপাক্ষিক সেই সম্পর্কটাকে একটা ডিপ এন্ড ইকোনমিক টাইজের মাধ্যমে কিভাবে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়, কিভাবে বাংলাদেশের বিনিয়োগ বাড়ানো যায়, বাণিজ্য বাড়ানো যায়, বাংলাদেশের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে মার্কিন কোম্পানিগুলো কিভাবে ভূমিকা রাখে এবং বাংলাদেশ সরকারের দিক থেকে কিভাবে পলিসি সাপোর্ট প্রোভাইড করা যায় এগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এক্সপোর্ট এবং ইমপোর্ট কিভাবে বৃদ্ধি করা যায় সেগুলো নিয়েও যেমন বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রাখছে যুক্তরাষ্ট্র: মাহদী আমিনতিনি বলেন, বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের যে ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে সেটি একটি ভিন্ন মাত্রায় যাবে এবং তার উপর ভিত্তি করে আমরা আরো বেশি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ট্রেড এবং ইনভেস্টমেন্ট এখানে এট্রাক্ট করব। বাংলাদেশে ইনশাল্লাহ আরো বেশি এমপ্লয়মেন্ট জেনারেট হবে। আমাদের যে মাল্টি ফ্যাসিলিটেড অ্যাটাচমেন্ট রয়েছে, যে অপরচুনিটি রয়েছে, একটা পার্টনারশিপের মাধ্যমে এটাকে ইনশাল্লাহ সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব।