আইনটা করার মূল উদ্দেশ্য হলো, আমরা দেখছি এই সমাজে বাবা-মা অসহায় হয়ে যাচ্ছেন শেষ বয়সে। সম্পত্তি ছেলেমেয়েরা লিখে নিলেও বাবা-মাকে বের করে দেওয়া হচ্ছে। সেই জায়গা থেকে বাবা-মাকে প্রটেকশনের চিন্তা থেকেই তাঁদের জন্য এই আইনটা করা হয়েছে।
আমরা দেখছি, সমাজে অনেক বাবা-মা সন্তানকে সম্পত্তি দিয়ে দেওয়ার পর তাঁদের বাসা থেকে বের করে দিচ্ছে। অনেকে ক্যানসার আক্রান্ত, তাঁর প্রপার্টি আছে। কিন্তু বাবা-মা তাঁদের সম্পত্তি ভোগও করতে পারছেন না। আজ থেকে বেশ কিছু বছর আগে একটা সমস্যা আমার সামনে এল, একজন অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মারা যাওয়ার পর সন্তানেরা সম্পত্তি লিখে নিল। এর এক সপ্তাহ পরে তাদের মাকে বাড়ি থেকে বের করে দিল।
এ রকম ছোট ছোট অনেক ঘটনা আছে। এমন ঘটনাও আছে যে কেউ মারা মারার পর অন্য ওয়ারিশরা এসে মামলা-মোকদ্দমা করছেন। ফলে বৃদ্ধ মানুষগুলোর একদিকে যেমন প্রটেকশনের প্রয়োজন, অন্যদিকে মামলা-মোকদ্দমার যে বিভিন্ন অ্যাভিনিউ আছে, সেগুলো নিয়ে আমরা কাজ করার চেষ্টা করছি, কীভাবে মামলা-মোকদ্দমা বন্ধ করা যায়। এই চিন্তা থেকে আইনটা আমরা সংসদে এনেছি।