→ বিশ্বজুড়ে সাইবার হামলার শঙ্কা, জরুরি সতর্কতা জারি→ ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ত্রিপক্ষীয় আলোচনা শুরু হতে পারে নভেম্বরে: ক্রেমলিন→ কক্সবাজারে সাগরে নেমে নিখোঁজ আরও এক পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার→ বাজারে ক্রেতা কম, তবুও চড়া নিত্যপণ্যের দাম→ ঢাকা মহানগরে বিএনপি কতটা সংহত
No icon

সউদী-হুথি যুদ্ধে গভীর সংকটে পাকিস্তান

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহী ও সউদী আরবের মধ্যকার সামরিক সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করার পর এক জটিল কূটনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছে পাকিস্তান। একদিকে সউদী আরবের সঙ্গে পাকিস্তানের ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা ও যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি রয়েছে, অন্যদিকে প্রতিবেশী ইরানের মাধ্যমে আঞ্চলিক যুদ্ধ এড়ানোর জোর চেষ্টা চালাচ্ছে ইসলামাবাদ। 

সম্প্রতি হুথি বাহিনীর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সউদী আরবের প্রধান তেল স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়াসহ ৭৩ জন আহত হওয়ার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একইসঙ্গে ইয়েমেনের রেড সি (লোহিত সাগর) উপকূলের দখল নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছে হুথিরা, যা বাব আল-মান্দেব প্রণালী এবং স্ট্রেইট অব হরমুজ দুই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক রুটকেই চরম ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে।

এ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনীর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে টেলিফোনে একাধিকবার আলোচনা করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, রিয়াদ থেকে সামরিক সহায়তার জন্য চাপ থাকা সত্ত্বেও পাকিস্তান সরাসরি যুদ্ধে না জড়িয়ে কূটনীতির পথ বেছে নিয়েছে। Islamabad মূলত সউদী আরবের নিরাপত্তা সতর্কতা ইরানের মাধ্যমে হুথিদের কাছে পৌঁছানোর এবং সংঘাত কমানোর মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ২০১৫ সালের মতোই পাকিস্তান আবারও নিরপেক্ষ থেকে মধ্যস্থতার ভূমিকা রাখতে চায়। তবে সউদী আরবের ওপর হামলা বাড়তে থাকলে যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির কারণে পাকিস্তানের ওপর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার চাপ দিনে দিনে আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।