জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের আসন বন্টন চূড়ান্ত হয়েছে। সমঝোতা অনুযায়ী, জামায়াত ২২০, এনসিপি ৩০, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২৩, খেলাফত মজলিস ১৩, এলডিপি ৭, এবি পার্টি ৪, নেজামে ইসলাম পার্টি ৩ এবং বিডিপি
জরুরি বৈঠকে বসেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ। আজ শনিবার সকাল ৯টায় মগবাজার দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈঠকটি শুরু হয়।জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বিষয়টি নিশ্চিত
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী নির্ধারণে দেশের উত্তরাঞ্চলকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। ভোট সামনে রেখে ১০ দল মিলে জোট করলেও শরিক দলগুলোতে এই অঞ্চলের আসনে খুব কম ছাড় দিয়েছে। রংপুর বিভাগের ৩৩টি আসনের
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটে ২৫৩ আসনে সমঝোতা হয়েছে। সমঝোতায় জামায়াতকে ১৭৯, এনসিপি ৩০, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ ২০, খেলাফত মজলিশ ১০, এবি পার্টি ৩, এলডিপি ৭, বিডিপি ২, নেজামে ইসলাম পার্টিকে
শেষ পর্যন্ত ভেঙেই গেল জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ইসলামি জোট। জোটের দ্বিতীয় বৃহত্তম শরিক দল চরমোনাই পীর মুফতি রেজাউল করিমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন জামায়াত জোটে থাকছে না। আজই আনুষ্ঠানিকভাবে এটা জানিয়ে দেয়ার কথা রয়েছে।
গত এক সপ্তাহ ধরে
নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ঢাকা-১৩ আসনের প্রার্থী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা। কেন তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে আগামী শনিবার বিকেল
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তাঁরা আসন্ন নির্বাচন ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির সামগ্রিক চিত্র নিয়ে আলোচনা করেছেন।
আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় জামায়াত আমিরের কার্যালয়ে





