বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রীজামায়াতের ইফতারে প্রধানমন্ত্রীইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি নিহত: ইরনাইরানে হামলা শুরু করেছে ইসরায়েলছুটির দিনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অফিস করছেন তারেক রহমান
No icon

মুক্তিযুদ্ধে যোগ হয় নতুন মাত্রা

১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে ছিল মুক্তিবাহিনী। ক্রমাগত আক্রমণে হানাদার বাহিনী পিছু হটতে থাকে। এর মধ্যে ভুটান ও ভারতের বাংলাদেশকে দেওয়া স্বীকৃতি মহান মুক্তিযুদ্ধকে নতুন মাত্রা দেয়। শত্রুমুক্ত হয় বেশ কয়েকটি জেলা। এর পর মাত্র ১০ দিন পর আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী।বিরাট বাধার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জনগণের সংগ্রাম-স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় যোজনা করে ভারতের স্বীকৃতি। একই দিন ভুটান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। মুজিবনগর সরকার ভারত সরকারের কাছে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে।বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার পরপরই ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে পাকিস্তান। ইতিহাসবিদদের মতে, এ স্বীকৃতির পর থেকেই আন্তর্জাতিক মহলে গ্রহণযোগ্যতা পেতে শুরু করে বাংলাদেশ। গণতন্ত্র ও মানবতার বৈশ্বিক ইতিহাসে অসামান্য তাৎপর্য বহন করছে এ দিনটি।

মিত্র বাহিনীর বিমানবহরের বোমাবর্ষণে ঢাকা বিমানবন্দরের রানওয়ে বিধ্বস্ত হয়। ভারতের বিরুদ্ধে বেশকিছু সময় প্রতিরক্ষামূলক যুদ্ধ চালিয়ে যেতে প্রস্তুত হয় পাকিস্তান।এদিন সম্মিলিত বাহিনী যশোর, আখাউড়া, লাকসাম, চৌদ্দগ্রাম ও হিলিতে প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করে। হানাদারমুক্ত হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া, দিনাজপুরের বীরগঞ্জ, বিরামপুর, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, লালমনিরহাট, ফেনী, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ, সিলেটের শমসেরনগর। ওই দিনের আনন্দবাজারের অন্য এক খবরে জানানো হয়, বাংলাদেশে মসজিদে মসজিদে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য দোয়া করা হয়েছে।