৫ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাসজাতীয় সংসদে আজ ২৪ বিল পাসদূষণে মহাবিপদে সাত শহরঢাকার তাপমাত্রা নিয়ে দুঃসংবাদহরমুজ প্রণালি পারের অনুমতি পায়নি বাংলাদেশি জাহাজ, ফিরে যাচ্ছে শারজা বন্দরে
No icon

হামে শিশুমৃত্যু ঠেকাবে দেশি উদ্ভাবন ‘বাবল সিপ্যাপ’

সারাদেশে হামজনিত নিউমোনিয়া ও তীব্র শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত শিশুদের জীবন বাঁচাতে আশার আলো দেখাচ্ছে সাশ্রয়ী মূল্যের এক অনন্য উদ্ভাবন ‘বাবল সিপ্যাপ’ আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি) উদ্ভাবিত এই শ্বাস-প্রশ্বাস সহায়ক যন্ত্রটি ব্যবহারের ফলে শিশুদের মৃত্যুর হার প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনা সম্ভব। বিশেষ করে ফুসফুসের জটিল রোগের ঝুঁকি কমাতে এটি অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখছে। ইতোমধ্যেই দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে এই প্রযুক্তি সরবরাহ শুরু হয়েছে।

দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে জীবনরক্ষাকারী এই প্রযুক্তি মহাখালীর আইসিডিডিআর,বি’র এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে বাবল কন্টিনিউয়াস পজিটিভ এয়ারওয়ে প্রেশার (বিসিপ্যাপ) এর ব্যবহার দ্রুত জনপ্রিয় ও বিস্তৃত হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৬টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এই পদ্ধতিতে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে।

 

color:#ffffff">৭ এপ্রিল পর্যন্ত ২৯ জন শিশু এই বিশেষ সুবিধা গ্রহণ করেছে। স্বল্পমূল্যের এই জীবনরক্ষাকারী পদ্ধতি সময়মতো প্রয়োগের ফলে জটিল ঝুঁকিতে থাকা শিশুদের শারীরিক অবস্থা দ্রুত স্থিতিশীল করা সম্ভব হয়েছে, যাদের জন্য ব্যয়বহুল বা জটিল চিকিৎসা প্রদান করা বেশ কষ্টসাধ্য ছিলো।

 

এই উদ্ভাবন নিয়ে আইসিডিডিআর,বি’র সিনিয়র সায়েন্টিস্ট মোহাম্মদ যোবায়ের চিশতী বলেন, “বাবল সিপ্যাপ একটি সহজলভ্য ও কার্যকর শ্বাস-প্রশ্বাস সহায়তা পদ্ধতি। এটি গুরুতর নিউমোনিয়া ও রক্তে অক্সিজেনের স্বল্পতায় (হাইপোক্সেমিয়া) আক্রান্ত শিশুদের ফুসফুস সচল রাখতে এবং শরীরে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিতে অনন্য ভূমিকা রাখে।”

আইসিডিডিআর,বি’র নির্বাহী পরিচালক ড. থ্যাডিয়াস ডেভিস মে এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন,“বাংলাদেশে গবেষণার মাধ্যমে উদ্ভাবিত এই পদ্ধতিটি কেবল ঢাকার হাসপাতালেই নয়, বরং আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশেও শিশুদের প্রাণ রক্ষা করছে। সীমিত সম্পদের পরিবেশে এর কার্যকারিতা বিশ্বজুড়ে প্রমাণিত।”

সারাদেশে হামজনিত নিউমোনিয়া ও তীব্র শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত শিশুদের জীবন বাঁচাতে আশার আলো দেখাচ্ছে সাশ্রয়ী মূল্যের এক অনন্য উদ্ভাবন ‘বাবল সিপ্যাপ’।

 

ছড়িয়ে পড়ছে জীবনরক্ষাকারী এই প্রযুক্তি

;মহাখালীর আইসিডিডিআর,বি’র এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে বাবল কন্টিনিউয়াস পজিটিভ এয়ারওয়ে প্রেশার (বিসিপ্যাপ) এর ব্যবহার দ্রুত জনপ্রিয় ও বিস্তৃত হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৬টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এই পদ্ধতিতে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে।

color:#ffffff">৭ এপ্রিল পর্যন্ত ২৯ জন শিশু;এই বিশেষ সুবিধা গ্রহণ করেছে। স্বল্পমূল্যের এই জীবনরক্ষাকারী পদ্ধতি সময়মতো প্রয়োগের ফলে জটিল ঝুঁকিতে থাকা শিশুদের শারীরিক অবস্থা দ্রুত স্থিতিশীল করা সম্ভব হয়েছে, যাদের জন্য ব্যয়বহুল বা জটিল চিকিৎসা প্রদান করা বেশ কষ্টসাধ্য ছিলো।

এই উদ্ভাবন নিয়ে আইসিডিডিআর,বি’র সিনিয়র সায়েন্টিস্ট মোহাম্মদ যোবায়ের চিশতী বলেন, “বাবল সিপ্যাপ একটি সহজলভ্য ও কার্যকর শ্বাস-প্রশ্বাস সহায়তা পদ্ধতি। এটি গুরুতর নিউমোনিয়া ও রক্তে অক্সিজেনের স্বল্পতায় (হাইপোক্সেমিয়া) আক্রান্ত শিশুদের ফুসফুস সচল রাখতে এবং শরীরে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিতে অনন্য ভূমিকা রাখে।”

 

আইসিডিডিআর,বি’র নির্বাহী পরিচালক ড. থ্যাডিয়াস ডেভিস মে এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, “বাংলাদেশে গবেষণার মাধ্যমে উদ্ভাবিত এই পদ্ধতিটি কেবল ঢাকার হাসপাতালেই নয়, বরং আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশেও শিশুদের প্রাণ রক্ষা করছে। সীমিত সম্পদের পরিবেশে এর কার্যকারিতা বিশ্বজুড়ে প্রমাণিত।