কক্সবাজারে ফ্লাই ডাইনিং নামে একটি ঝুলন্ত রেস্টুরেন্টের যাত্রা শুরুমহামারীকালে বিশ্বে এইডস রোগীর সংখ্যা বেড়েছে১৭১০ জনকে নিতে ৪৪তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশডিসেম্বর বাঙালির আনন্দ-গৌরবের মাসশারীরিক উপস্থিতিতে শুরু আপিল বিভাগের বিচারকাজ
No icon

কুরবানী দাতার করণীয়

১. শুধু কুরবানীর গোশত খাওয়ার জন্য কুরবানীর পশু যবেহ করা নয়, বরং আল্লাহর নৈকট্য লাভ করার কুরবানী করবেন । এ প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন :

আর যে কেউ সালাতের পূর্বে নাহর করবে বা যবেহ করবে, সে তো তার পরিবার বর্গের জন্য গোশতের ব্যবস্থা করল, কুরবানীর কিছু আদায় হল না। [সহীহ বুখারী: ৯৬৫ ]

২. কুরবানীদাতা ঈদের চাঁদ দেখার পর স্বীয় চুল ও নখ কাটা থেকে কুরবানী করা পর্যন্ত বিরত থাকবেন। হাদীসে এসেছে, উম্মে সালামাহ রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

তোমাদের মাঝে যে কুরবানী করার ইচ্ছে করে সে যেন যিলহজ মাসের চাঁদ দেখার পর থেকে চুল ও নখ কাটা থেকে বিরত থাকে। ইমাম মুসলিম হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।

৩. কুরবানীর দ্বারা পরিবেশ দূষিত হয় এমন কোনো কাজ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। সুতরাং পশুর রক্ত মাটি দ্বারা ঢেকে দেয়া, ময়লা, আবর্জনা সরিয়ে ফেলা একান্ত প্রয়োজন ।
আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে কুরাবানীর মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করার তাওফীক দিন ।