পাকিস্তানে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাওনিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা, বেড়েছে ডিম ও মাছের দাম২১ জেলায় বইছে তাপপ্রবাহবাংলাদেশে হাম এখন উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ রোগমন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদন পেল ৫ প্রস্তাব
No icon

আইসিইউতে নেওয়া হয়েছে নুরকে

রাজধানীর কাকরাইলে হামলায় আহত গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান এবং এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবর রহমান মঞ্জু। চিকিৎসকের বরাতে তারা জানান, নুরকে আইসিইউতে নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার রাত ১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে তারা সাংবাদিকদের এ কথা জানান।রাশেদ খান বলেন, ডাক্তাররা বলেছেন নূরের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে। তাকে আইসিউতে নেওয়া হয়েছে, বাঁচবে কিনা জানি না।তিনি বলেন, নূরের কিছু হলে তার দায় সেনাপ্রধান ও প্রফেসর ইউনূসকে নিতে হবে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সেনাপ্রধান, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টাকে বক্তব্য পরিষ্কার করতে হবে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যারা হামলা করেছেন, তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতে হবে, নতুবা যমুনা ঘেরাও করা হবে।রাশেদ বলেন, পুলিশ সেনাবাহিনীর যারা হামলা চালিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। আইজিপি ও ডিএমপি কমিশনারকে পদত্যাগ করতে হবে।

মজিবর রহমান মঞ্জু বলেন, নূরকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে, একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।তিনি বলেন, আগামীকাল দুপুর ২টায় একটা সর্বদলীয় সভা করব আমরা। সেটা গণ অধিকার পরিষদের কার্যালয়ে হতে পারে। পরবর্তী আপডেট জানানো হবে।এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয় পার্টি ও গণ অধিকার পরিষদ নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এর পর শুক্রবার রাত সোয়া ৮টার দিকে কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদ নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষে নুরুল হক নুরসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ সময় পরে রক্তাক্ত অবস্থায় নুরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান নেতাকর্মীরা।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী, পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য ছুটে যান এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। রাত ৯টা পর্যন্ত সংঘর্ষ চলতে থাকে।গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও সড়কে আগুন জ্বালিয়ে দেন। পুলিশ ও সেনাসদস্যরা উপস্থিত থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করেন।