দেশে এখন মাথাপিছু আয় ২২২৭ ডলারগণপরিবহন আরও কিছু দিন বন্ধ রাখতে চান স্বাস্থ্যমন্ত্রীমালয়েশিয়ার মসজিদে মসজিদে ফিলিস্তিনিদের জন্য দোয়া৯৫৪ জন শিক্ষক-কর্মচারী পাচ্ছেন উচ্চতর গ্রেড করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ৩৩ লাখ ৯২ হাজার ছাড়াল
No icon

শ্রমিকদের বেতন দিতে প্রণোদনা চান মালিকরা

করোনা মহামারির নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় আসন্ন ঈদে শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন ও উৎসব ভাতা পরিশোধে সহজ শর্তে ঋণ চেয়েছেন বস্ত্র ও পোশাক খাতের শিল্পমালিকরা।এ মর্মে রোববার অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের কাছে চিঠি দিয়েছে এ খাতের শিল্পমালিকদের তিন সংগঠন। এগুলো হচ্ছে-বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ), বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) ও বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিকেএমইএ)।চিঠির অনুলিপি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে পাঠানো হয়েছে।চিঠিতে সংগঠনগুলো শ্রমিক-কর্মচারীদের এপ্রিল, মে ও জুনের বেতন ও বোনাস দিতে গত বছরের মতো সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা চেয়েছে। বলেছে, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে গত বছর সচল রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য আর্থিক প্রণোদনা হিসাবে সহজ শর্তে ঋণ দেওয়া হয়েছিল।

সে অর্থে শ্রমিক-কর্মচারীদের এপ্রিল, মে, জুন ও জুলাইয়ের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়েছিল। ফলে এ শিল্প টিকে রয়েছে এবং সংকটপূর্ণ পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সক্ষমতা অর্জন করতে পেরেছে।চিঠিতে আরও বলা হয়, বিশ্বব্যাপী উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এ খাতে চরম বিপর্যয় নেমে এসেছে। এর প্রভাবে অনেক কারখানা বন্ধ হয়েছে। আন্তর্জাতিক স্বনামধন্য অনেক ক্রেতা নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা করায় তাদের কাছে রপ্তানি করা পণ্যের বিল পাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ক্রেতারা ক্রয়াদেশ বাতিল বা স্থগিত করেছেন। রপ্তানির মূল্য নির্দিষ্ট সময়ে না পাওয়ায় উদ্যোক্তারা নিদারুণ আর্থিক সংকটের মধ্যে রয়েছেন। বিশ্ববাজারে রপ্তানি সক্ষমতা বজায় রাখার জন্য বাংলাদেশের পোশাক শিল্প অন্যান্য দেশের তুলনায় কম মূল্যে পোশাক রপ্তানি করে। ফলে মুনাফার অংশ খুবই কম থাকে।