দেশে এখন মাথাপিছু আয় ২২২৭ ডলারগণপরিবহন আরও কিছু দিন বন্ধ রাখতে চান স্বাস্থ্যমন্ত্রীমালয়েশিয়ার মসজিদে মসজিদে ফিলিস্তিনিদের জন্য দোয়া৯৫৪ জন শিক্ষক-কর্মচারী পাচ্ছেন উচ্চতর গ্রেড করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ৩৩ লাখ ৯২ হাজার ছাড়াল
No icon

ব্যাংকের আয় কমেছে

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের প্রভাবে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে স্থবিরতা বিরাজ করছে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে ব্যাংকিং খাতে।সার্বিকভাবে ব্যাংকগুলোর আয় কমেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কমেছে মূলধন থেকে আয়। ঋণের সুদ থেকেও আয় কমেছে। আয় কমলেও লাগাম পড়েনি ব্যয়ে। বেড়েছে ব্যয়ের পরিমাণ। এর মধ্যে ঋণের সুদ থেকে আয়ের একটি বড় অংশই শুধু খাতা-কলমে। বাস্তবে আদায় হয়নি।গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকগুলোর পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি বাংলাদেশ ব্যাংকের একাধিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে এমন চিত্রই পাওয়া গেছে।এ প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্টরা জানান, করোনার প্রভাবে একদিকে ব্যাংকগুলোর আয় কমেছে, অন্যদিকে বেড়েছে ব্যয়। এতে সার্বিকভাবে ব্যাংকগুলোর নিট মুনাফা কমে যাবে।ফলে সরকার যেমন ব্যাংকের মুনাফা থেকে রাজস্ব কম পাবে, তেমনি শেয়ারহোল্ডাররা পাবেন কম হারে লভ্যাংশ। একই সঙ্গে ঝুঁকি মোকাবিলায় ব্যাংকগুলোর রিজার্ভ তহবিল বাড়ানোর প্রক্রিয়াও বাধাগ্রস্ত হবে।

এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, করোনায় যেভাবে ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষতি হয়েছে, তার সঙ্গে ব্যাংকগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হবে এটাই স্বাভাবিক। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে তারল্যের জোগান, খেলাপি ঋণ, প্রভিশন রাখা, বিধিবদ্ধ আমানতে বড় ছাড় দেওয়ায় ব্যাংকগুলো এখনো বড় সংকটে পড়েনি। তবে করোনার প্রকোপ যদি দীর্ঘমেয়াদি হয় তবে ব্যাংকগুলোকে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে।তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এখন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে নীতি সহায়তার হার বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে ঋণ আদায়ের জন্য ব্যবসার পরিবেশ উন্নত করতে এবং সরকারকে সহায়তা করতে হবে। করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেই কেবল ব্যবসা-বাণিজ্য স্বাভাবিক হতে শুরু করবে। তখন ব্যাংকগুলোও ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পাবে। এক্ষেত্রে সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে।সূত্র জানায়, ব্যাংকগুলো নিজেদের মূলধন ও সঞ্চয়কারীদের আমানত ঋণ হিসাবে বিনিয়োগ করে আয় করে। আয়ের ৯০ শতাংশই আসে ঋণের সুদ থেকে। বাকি ১০ শতাংশ আসে কমিশন, বৈদেশিক মুদ্রা ও অন্যান্য খাত থেকে।