ফ্রেশ কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৯ ইউনিটখুলনা ও বরিশাল বিভাগে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা‘ঈদের আগে পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলার অনুমতির সম্ভাবনা নেই’ডেনমার্কে শপিংমলে গুলি, কয়েকজন নিহতভোজ্যতেলে ভ্যাট সুবিধা আরও ৩ মাস
No icon

নিত্যপণ্যের বাজারে কিছুটা স্বস্তি

নিত্যপণ্যের দরে কিছুটা স্বস্তি এলো এ সপ্তাহে। গত সপ্তাহের তুলনায় কয়েকটি পণ্যের দাম কিছুটা কমেছে। চাল কেজিতে দুই টাকা, খোলা আটা পাঁচ থেকে আট টাকা, ডিম ডজনে পাঁচ টাকা, রসুন কেজিতে ১০ টাকা ও সোনালি মুরগি কেজিতে ১৫ টাকা পর্যন্ত কমেছে। গত সপ্তাহের তুলনায় গাজর, আলু ও টমেটোর দাম কিছুটা বাড়লেও অন্য বেশ কিছু সবজির দাম কিছুটা কমেছে।আর পেঁয়াজ, ডাল, মাছ, গরু-খাসির মাংস ও ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে আগের বাড়তি দামেই। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে সব ধরনের নিত্যপণ্যের সরবরাহ এখন স্বাভাবিক রয়েছে। সামনে চালসহ বেশ কিছু নিত্যপণ্যের দাম কমতে পারে।গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার, বাবুবাজার, ভাটারার জোয়ারসাহারা বাজার ঘুরে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

কারওয়ান বাজারের পেঁয়াজ-রসুনের পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ী মো. সেলিম বলেন,এক সপ্তাহের ব্যবধানে রসুনের দাম কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। এখন চায়না রসুন পাইকারি বিক্রি করছি ১১২ টাকা কেজি, খুচরায় ১২০ টাকা। দেশি রসুন পাইকারি বিক্রি করছি ৫০ টাকা কেজি, খুচরায় ৬০ টাকা। পেঁয়াজ আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি ৩৬ টাকা কেজি এবং খুচরা ৪০ টাকা কেজি। তবে আলুর দাম কিছুটা বেড়েছে। আলু পাইকারি ২০ টাকা কেজি এবং খুচরায় ২৫ টাকা কেজি বিক্রি করছি।রাজধানীর বাবুবাজার পাইকারি চাল ব্যবসায়ী সলিম উদ্দিন বলেন, গত তিন সপ্তাহ ধরেই চালের দাম কমতির দিকে। এই তিন সপ্তাহে বস্তাপ্রতি (৫০ কেজির বস্তায়) প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে।তিনি বলেন, আজ (গতকাল) বাবুবাজারে মিনিকেট (চিকন চাল) ৫০ কেজির বস্তা দুই হাজার ৯৫০ থেকে তিন হাজার ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। নাজিরশাইল ৫০ কেজির বস্তা তিন হাজার ৩০০ থেকে তিন হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাইজাম ও ব্রি ২৮ চাল বিক্রি হচ্ছে দুই হাজার ৩০০ থেকে দুই হাজার ৪০০ টাকায়।

কারওয়ান বাজারের চিকেন মার্কেটের মুরগির ব্যবসায়ী মো. আমজাদ হোসেন বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় বাজারে সোনালি মুরগির দাম কমেছে। কেজিতে ১৫ টাকা কমে ২৬০ থেকে ২৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে ব্রয়লারের দাম কমেনি, আগের দামেই ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি মুরগিও আগের দামে ৫৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।জোয়ারসাহারা বাজারের মেসার্স ভাই ভাই স্টোরের ব্যবসায়ী মো. নজরুল ইসলাম বলেন, গত সপ্তাহে সয়াবিন তেল ছাড়া তেমন কোনো পণ্যের দাম বাড়েনি। তবে কিছু পণ্যের দাম কমেছে। খোলা আটা কেজিতে পাঁচ থেকে আট টাকা পর্যন্ত কমেছে। খোলা আটা এখন ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্যাকেট আটা আগের বাড়তি দামেই দুই কেজি ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে দ্রুতই দাম কমে প্যাকেট আটা বাজারে আসবে। ডিম ডজনপ্রতি পাঁচ টাকা কমে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আগের বাড়তি দামে মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে। মোটা ডাল ১১০ টাকা এবং চিকন ডাল ১৩৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।