তিন ঝুঁকিতে বিশ্ব অর্থনীতিযুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা পাচ্ছে মিশরসবার আগে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকরোনার নতুন তাণ্ডবে ফের কাঁপছে গোটা বিশ্বক্রেডিট কার্ডে নতুন কর্মক্ষেত্র
No icon

শতভাগ যাত্রী নিয়ে চলবে বাস

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন মোকাবিলায় অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে বাস চলাচলের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে সরকার।পরিবহন মালিকদের দাবি মেনে আগামী শনিবার থেকে যত সিট তত যাত্রী নিয়ে বাস চলাচল করবে। তবে বাসে দাঁড়িয়ে যাত্রী বহন করা যাবে না।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্লাহ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।খন্দকার এনায়েত উল্লাহ একটি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, সবকিছু খোলা রেখে অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে বাস চালালে গণপরিবহনে সংকট তৈরি হবে। যাত্রীরা বাস পাবে না। আজ বিআরটিএর চেয়ারম্যান মৌখিকভাবে যত সিট তত যাত্রী নিয়ে বাস চালানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সিদ্ধান্তটি সমিতির সদস্যদের চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে।চিঠিতে তিনি আরও বলেন, বাসে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখতে হবে। গাড়ির চালক, সহকারী ও যাত্রীদের মাস্ক বাধ্যতামূলকভাবে পরতে হবে। বাসের স্টাফদের করোনা টিকা নেওয়ার সনদপত্র সঙ্গে রাখতে হবে। কোনোভাবেই গাড়িতে দাঁড়িয়ে যাত্রী বহন করা যাবে না।এর আগে গতকাল বুধবার বনানীতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) প্রধান কার্যালয়ে পরিবহনের মালিক ও শ্রমিকনেতাদের সঙ্গে কর্মকর্তাদের বৈঠক হয়।সেখানে সিদ্ধান্ত হয়- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা মেনে অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে আগামী শনিবার থেকে বাস চলাচল করবে। এ জন্য ভাড়া বাড়ানো হবে না।

সভায় পরিবহনের মালিক ও শ্রমিকনেতারা বলেন, সবকিছু খোলা রেখে অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে বাস চালালে গণপরিবহনে সংকট তৈরি হবে। যত আসন তত যাত্রী পরিবহন করলে সংকট কিছুটা কম হবে। পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা আর্থিকভাবে কম ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।বিআরটিএর চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদার তখন পরিবহন খাতের নেতাদের আশ্বস্ত করেন, তাদের দাবিটি প্রস্তাব আকারে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। তারা সরকারের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে কথা বলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন।করোনা সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকায় সরকার ১১ দফা বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। আজ বৃহস্পতিবার থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দেশবাসীকে এসব বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে।