বিশ্বে বসবাসের অযোগ্য শহরের তালিকায় তৃতীয় ঢাকাইরানের ৮০ স্থাপনায় মার্কিন হামলা, উত্তপ্ত হরমুজ৮০ লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, ফের শুরু হচ্ছে ইরান যুদ্ধ?১৯ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা, সতর্কসংকেতহামের পরবর্তী জটিলতায় চোখের সমস্যায় রোগীরা
No icon

বৃহস্পতিবার ইরানের মাশহাদ শহরে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে দাফন করা হবে

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষবিদায় অনুষ্ঠানে ইরাকের পবিত্র নগরী নাজাফে লাখো মানুষের সমাগম হয়েছে। তেহরান ও কোম শহরে কয়েক দিনের শোক কর্মসূচির পর বুধবার রাতে তার মরদেহ ইরাকে পৌঁছায়।

ইরানের সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাজাফের সড়কগুলোতে খামেনির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো হন। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, খামেনি ও তার পরিবারের সদস্যদের কফিন বহনকারী গাড়ি ঘিরে হাজারো মানুষ অবস্থান করছেন। পরে গাড়িটি ধীরে ধীরে নাজাফের পবিত্র ইমাম আলীর মাজারের দিকে এগিয়ে যায়। সেখানে আবেগঘন পরিবেশে জানাজা ও বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে ইরানের রাজধানী তেহরান ও ধর্মীয় নগরী কোমে টানা তিন দিন খামেনির জানাজা ও বিদায় মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। দেশটির গণমাধ্যমের দাবি, ১৯৮৯ সালের পর ইরানে এত বড় জনসমাগম আর দেখা যায়নি।

জানাজায় অংশ নেওয়া অনেকেই জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানকে দুর্বল ও বিভক্ত করতে চেয়েছিল, তবে খামেনি তা প্রতিহত করেছেন। তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই তারা এই আয়োজনে অংশ নিয়েছেন।

খামেনির জানাজায় তার অন্য তিন ছেলে উপস্থিত থাকলেও ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে দেখা যায়নি। ইরানের গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ পরিস্থিতি ও নিরাপত্তাজনিত কারণে তিনি জনসমক্ষে আসেননি। যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর মোজতবা খামেনি নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হন বলে জানা গেছে।

আগামী বৃহস্পতিবার উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদ শহরে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জন্মস্থানের কাছে তাকে দাফন করা হবে। সেখানে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বিপুল মানুষের সমাগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তথ্যসূত্র: তাসনিম নিউজ