বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা নারীবিতর্কিত ব্যক্তির নামের প্রতিষ্ঠান এমপিও নয়ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশসৌদি আরবে করোনা সংক্রান্ত বিধিনিষেধে শিথিলতা৩৩ দেশের নাগরিকের জন্য ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে আমেরিকা
No icon

৭০ শতাংশের বেশি ভোট ৩৬ ইউপিতে

প্রথম ধাপের ২০৪টি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে সোমবার চেয়ারম্যান পদে ১৭৬টিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ৩৬টিতে ৭০ থেকে ৮৩ (৮২ দশমিক ৭৫) শতাংশ ভোট পড়েছে। আর ১২টিতে পড়েছে ৫০ থেকে ৫৫ শতাংশ। একই দিনে অনুষ্ঠিত এসব ইউপি নির্বাচনে ভোটের এ ব্যবধান পাওয়া গেছে।এ নির্বাচনে গড়ে ভোট পড়েছে ৬৪ দশমিক ৭৩ শতাংশ। ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) তুলনায় কাগজের ব্যালটে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদগুলোতে ভোট পড়ার হার কিছুটা বেশি রয়েছে। প্রথম ধাপের ১৭৬টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য জানা গেছে।এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ যুগান্তরকে বলেন, এলাকাভিত্তিক ভোট পড়ার হার ভিন্ন হতে পারে। দু-একটি ঘটনা ছাড়া নির্বাচনের পরিবেশ ভালো ছিল। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, দু-কটি জায়গায় অনিয়মের খবর গণমাধ্যমে এসেছে। তবে ওই ঘটনায় ভোটের এত হেরফের হওয়ার কথা নয়। যা ভোট পড়েছে ফলাফলে তারই প্রতিফলন ঘটেছে।

ফল বিশ্লেষণে আরও দেখা গেছে, নির্বাচন কমিশন ২০৪টিতে ভোটের আয়োজন করলেও ২৮টিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন। ওই ২৮টি বাদে ১৭৬টিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা ১২০টিতে জয় পান। সবমিলিয়ে প্রথম ধাপে ১৪৮টিতে দলটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৪৯, জাতীয় পার্টি ৩, জাতীয় পার্টি (জেপি) ৩ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১টিতে চেয়ারম্যান হয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রায় সবাই আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এ নির্বাচনে ইভিএমে ভোট নেওয়া ১৮টি ইউপিতে গড়ে ৬৩ দশমিক ৪৬ শতাংশ ভোট পড়েছে। কাগজের ব্যালটে নির্বাচন হওয়ায় ১৫৮ ইউপিতে ভোট পড়ার হার ৬৪ দশমিক ৮৩ শতাংশ। সবমিলিয়ে গড়ে ভোট পড়ার হার ৬৪ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির অংশগ্রহণ ছাড়া অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে ২০১৬ সালের তুলনায় ভোট কম পড়েছে। কমেছে সহিংসতাও। ২০১৬ সালের মার্চে অনুষ্ঠিত প্রথম ধাপের ৭১২টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোট পড়ার হার ছিল ৭৩ দশমিক ৮২ শতাংশ। প্রথম ধাপের নির্বাচনে সহিংসতায় মারা যান ২২ জন। এবারের নির্বাচনে বিএনপিসহ বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল অংশ নেয়নি। প্রথম ধাপে অনুষ্ঠিত ২০৪টি ইউপি নির্বাচনে মারা গেছেন মাত্র তিনজন। ভোট পড়ার হার ৬৪ দশমিক ৭৩ শতাংশ।