জামায়াত ক্ষমতায় গেলে দেশে আর পরিবারতন্ত্রের রাজনীতি থাকবে না: শফিকুর রহমাননির্বাচন উপলক্ষ্যে ছুটি ঘোষণা, প্রজ্ঞাপন জারিপ্রবাসী ভোটে বদলাতে পারে সমীকরণঢাবির বিজ্ঞান ইউনিটের ফল প্রকাশ, ৯৩ শতাংশ ফেলঢাকায় কুয়াশা নিয়ে নতুন তথ্য
No icon

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড পুরোপুরি সুস্থ আছেন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বয়স ও সুস্থতা নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে। তবে সম্প্রতি তিনি ও তাঁর কয়েকজন ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা নিউইয়র্ক ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সব সমালোচনা উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁরা বলেছেন, ট্রাম্প ‘পুরোপুরি সুস্থ’ আছেন।

গত মাসে ওভাল অফিসে নেওয়া সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে গতকাল সোমবার এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সাক্ষাৎকারের আগেই ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন, তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে কোনো বাজে প্রতিবেদন প্রকাশ করলে তিনি সংবাদমাধ্যমটির বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দেবেন। 

বিভিন্ন বৈঠকে ঘুমিয়ে পড়া, হাতে দৃশ্যমান কালশিটে দাগ এবং সম্প্রতি একটি এমআরআই-সদৃশ স্বাস্থ্য পরীক্ষার ছবি সংবাদমাধ্যম ও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে ট্রাম্পের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ৭৯ বছর বয়সী ট্রাম্প ও তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা এসব উদ্বেগ উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।

বিভিন্ন বৈঠকে ট্রাম্পকে চোখ বন্ধ করে থাকতে দেখা গেছে। দেখে মনে হয়েছে, তিনি ঘুমিয়ে পড়েছেন। তাঁর এই অভ্যাসের বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও নিউইয়র্ক ম্যাগাজিনকে বলেন, এটি মনোযোগ দিয়ে কথা শোনার একটি কৌশলমাত্র। ট্রাম্পের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিটও একই কথা বলেছেন।

সম্প্রতি মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে ট্রাম্পকে ঝিমাতে দেখা গিয়েছিল। ওই বৈঠকে নিউইয়র্ক ম্যাগাজিনের প্রতিবেদক বেন টেরিসও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকের কয়েক মিনিট পর হোয়াইট হাউসের স্টাফ সেক্রেটারি উইল শার্ফ বলেন, ‘(তিনি ঝিমাচ্ছেন ভেবে) শুরুতে আমিও ভুল করেছিলাম। এটা আসলে ঝিমানো নয়, মাঝেমধ্যে তিনি যখন কোনো বিষয় নিয়ে ভাবেন, তখন এমন ভঙ্গিতে থাকেন। এ সময় তিনি সামনে বা পেছনে কিছুটা ঝুঁকে থাকেন। কখনো চোখ বন্ধ করেন, কখনো নিচের দিকে তাকিয়ে থাকেন। কারণ, তিনি প্রায়ই কোলের ওপর নোট নেন।’

নিজের ঝিমানো বা চোখ বুজে থাকা প্রসঙ্গে ট্রাম্প অবশ্য ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন। গত ডিসেম্বরের মন্ত্রিসভার বৈঠক সম্পর্কে তিনি ম্যাগাজিনকে বলেন, ‘আমি একটি কক্ষে ২৮ জন মানুষের সঙ্গে বসে ছিলাম। সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে বৈঠক হয়েছে। এটা ছিল খুবই বিরক্তিকর। আমাকে ওখানে বসে বসে সবার কথা শুনতে হয়েছে। আমি এ সময় হাত নাড়াচাড়া করছিলাম, যাতে মানুষ মনে করে, আমি সবার কথা শুনছি। কিন্তু মনে মনে আমি সেখান থেকে বের হওয়ার জন্য ছটফট করছিলাম।’