আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য মঙ্গলবার চীনে যাচ্ছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। রাশিয়া সফরের কয়েকদিনের মাথায় তিনি বেইজিং যাচ্ছেন।
সেন্ট পিটার্সবার্গে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন আরাঘচি। চীনে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর সঙ্গে তাঁর বৈঠকের কথা আছে। এক বিবৃতিতে এমনটাই জানিয়েছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
আরাঘচির সঙ্গে বৈঠকের পর পুতিন বলেছিলেন, আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠা ও ইরানের জন্য সাধ্যের মধ্যে সবকিছু করবেন। অপরদিকে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা শুরুর পর থেকেই চীন নিজেদেরকে শান্তির পক্ষের দেশ হিসেবে প্রচার করছে। দীর্ঘদিনের নীতি মেনে তারা ইরান যুদ্ধের সঙ্গে জড়িত সব পক্ষের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চায়।
আরাঘচির চীন সফর এমন সময়ে হচ্ছে, যখন হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। জাহাজ চলাচল নিরাপদ করতে ট্রাম্প প্রশাসন ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে। এর আওতায় জ্বালানিবাহী জাহাজগুলোকে পাহারা দেবে মার্কিন রণতরী।
সোমবার প্রণালিতে কয়েকটি ইরানি নৌকা লক্ষ্য করে হামলা চালায় মার্কিন সেনারা। একইদিনে পারস্য উপসাগরে বেশ কিছু বাণিজ্যিক জাহাজে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া যায়। এছাড়া ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) ফুজাইরাহ তেল বন্দরে আগুন লাগে। এসব ঘটনা যুদ্ধবিরতিকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।