→ আজ বাড়তে পারে ঢাকার তাপমাত্রা→ স্লিপার বাস চলে ভুয়া নম্বর প্লেটে→ রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘মব’ করে পদত্যাগপত্রে নেওয়া হলো উপাচার্যের স্বাক্ষর!→ ডেঙ্গুতে এক দিনে রেকর্ড ১০ জনের মৃত্যু→ নোয়াখালীতে নতুন কূপে পাওয়া গেছে গ্যাস
No icon

ইরানের সঙ্গে সংঘাতে ৮১ যুদ্ধবিমান-ড্রোন-হেলিকপ্টার হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের সঙ্গে সামরিক সংঘাত শুরুর পর থেকে গত আট মাসে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ৮১টি যুদ্ধবিমান, ড্রোন ও হেলিকপ্টার ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব সমরাস্ত্রের মূল্য প্রায় ৩৩০ কোটি ডলার। 

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্ট কংগ্রেসের তদন্ত ও অনুসন্ধান বিষয়ক পার্লামেন্টারি সংস্থা কংগ্রেসনাল রিসার্চ সার্ভিসের (সিআরএস) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। গত ৫ অক্টোবর প্রতিবেদনটি কংগ্রেসে জমা দিয়েছে সিআরএস।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধ্বংস হওয়া এসব সামরিক এয়াক্রাফটের মধ্যে রয়েছে ১২টি এফ-১৫ ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমান, একটি এফ-৩৫ লাইটনিং ২ স্টেলথ যুদ্ধবিমান, ২টি এ-১০ থান্ডারবোল্ট ২ অ্যাটাক এয়রক্রাফট বা আক্রমণকারী যুদ্ধবিমান।

২ মার্চ কুয়েতের আকাশে ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ার’ বা নিজেদের বাহিনীর গুলিতে তিনটি এফ-১৫ই বিমান ভূপাতিত করে মার্কিন বাহিনী। এপ্রিলে ইরানের আকাশে যুদ্ধ অভিযানের সময় আরও একটি বিমান ধ্বংস হয়ে যায়। 

সিআরএস প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সেপ্টেম্বরে জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি বিমান ঘাঁটিতে ইরানের হামলার সময় আরও আটটি এফ-১৫ই বিমান সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর অন্যতম অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এফ-৩৫এ-টি ১৯ মার্চ ইরানের হামলার সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে বিমানটি পুনরায় পরিষেবায় ফিরিয়ে আনা হয়। মোট ক্ষতির একটি উল্লেখযোগ্য অংশজুড়ে রয়েছে ড্রোন। 

কংগ্রেসের প্রতিবেদনে দেওয়া সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, সিআরএস-এর তালিকায় অন্তত ৪৫টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। রিপার ড্রোনটি নজরদারি এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কাজে ব্যবহৃত হয়।

বিভিন্ন ঘটনায় ক্ষতির কারণে মে মাস নাগাদ মার্কিন বিমান বাহিনীর এমকিউ-৯ ড্রোন বহরের সংখ্যা কমে ১৩৫টিতে নেমে আসে; অথচ অন্তত ১৮৯টি মোতায়েনযোগ্য রিপার ড্রোন সে সময় প্রয়োজন ছিল মার্কিন বাহিনীর।

২ মার্চ কুয়েতের আকাশে ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ার’ বা নিজেদের বাহিনীর গুলিতে তিনটি এফ-১৫ই বিমান ভূপাতিত হয় এবং এপ্রিলে ইরানের আকাশে যুদ্ধ অভিযানের সময় আরও একটি বিমান ধ্বংস হয়ে যায়। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সেপ্টেম্বরে জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি বিমান ঘাঁটিতে ইরানের হামলার সময় আরও আটটি এফ-১৫ই বিমান সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

সিআরএস এর তালিকায় ধ্বংস হওয়া যুদ্ধবিমান ও সামরিক এয়ারক্র্যাফটের মধ্যে আরও রয়েছে সাতটি কেসি-১৩৫ স্ট্র্যাটোট্যাঙ্কার (আকাশপথে জ্বালানি ভরার বিমান) একটি ই-৩ সেন্ট্রি নজরদারি বিমান, দুটি এমসি-১৩০জে কমান্ডো ২ বিশেষ অভিযানের বিমান এবং একটি এইচএইচ-৬০ডব্লিউ জলি গ্রিন ২ যুদ্ধকালীন অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী হেলিকপ্টার।