ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একইসঙ্গে ইরানি বন্দরগুলোতে অবরোধ অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছেন তিনি।তিনি জানান, পাকিস্তানের অনুরোধে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াবে এবং ইরানি বন্দরগুলোতে অবরোধ অব্যাহত রাখবে।সামাজিক
যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত তথাকথিত বোর্ড অব পিস -এর একটি প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। প্রস্তাবটিতে হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের কথা বলা হলেও গোষ্ঠীটির দাবি, ইসরায়েল এখনও যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের শর্ত লঙ্ঘন করে যাচ্ছে। এ তথ্য
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা করতে সোমবার পাকিস্তানে যাচ্ছে মার্কিন প্রতিনিধিদল। রোববার (১৯ এপ্রিল) নিজের মালিকানাধীন সোশ্যাল মিডিয়া ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কারা এই বৈঠকে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার বৈঠকের আগে সমঝোতার রূপরেখা চূড়ান্ত করার ওপর ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইদ খাতিবজাদেহ গুরুত্বারোপ করেছেন। একইসঙ্গে এটি চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত আমরা নতুন করে বৈঠকের তারিখ ঠিক করতে পারছি না বলেও জানান তিনি।শনিবার
মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু হরমুজ প্রণালি আবারও বৈশ্বিক উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বের অন্যতম কৌশলগত এই জলপথে সাম্প্রতিক গুলি ছোড়ার ঘটনা, ইরানের কঠোর অবস্থান এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক চাপ- মিলিয়ে পরিস্থিতি দ্রুত অস্থিরতার দিকে যাচ্ছে। পারমাণবিক
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরান স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তারা কোনো অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে রাজি নয়; বরং পুরো অঞ্চলে স্থায়ীভাবে সংঘাতের অবসান চায়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সামরিক হুমকি এবং কূটনৈতিক তৎপরতা- দুই ধরনের বার্তাই আসছে।
ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির সঙ্গে সংহতি জানিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ঘোষণা করেছে ইরান।শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে এই ঘোষণা দেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।পোস্টে
ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘিরে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত শিগগির শেষ হতে পারে। এতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামও কমেছে।ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১ শতাংশের বেশি কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৮.০৫ ডলারে নেমেছে। যুক্তরাষ্ট্রের তেলের







