দেশজুড়ে চলছে তীব্র লোডশেডিং, ভ্যাপসা গরমে চরম অস্বস্তিতে মানুষনবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে নতুন ছক, যেভাবে নির্ধারণ হবে বেতনঢাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির আভাসজ্বালানি সংকটে কয়লায় ভরসাশিগগির চালু হচ্ছে না বাংলাদেশ-ভারতের যাত্রীবাহী ট্রেন
No icon

শিগগির চালু হচ্ছে না বাংলাদেশ-ভারতের যাত্রীবাহী ট্রেন

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শিগগির শুরু হচ্ছে না। ঢাকায় অনুষ্ঠিত দুই দেশের ৩৮তম আন্তঃসরকার রেলওয়ে বৈঠকে (আইজিআরএম) ট্রেন চলাচল কবে নাগাদ শুরু হতে পারে, সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।বৃহস্পতিবার তিন দিনব্যাপী বৈঠকের শেষ দিনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের প্রধান ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জিয়াউল হক।তিনি বলেন, বৈঠকে বাংলাদেশের আলোচ্যসূচিতে আন্তদেশীয় যাত্রীবাহী ট্রেন চালুর বিষয়টি ছিল না। ভারতের এজেন্ডাতেও বন্ধ থাকা তিনটি ট্রেন চালুর বিষয়টি ছিল না। তবে মৈত্রী এক্সপ্রেস নতুন রুটে চালানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।জিয়াউল হক জানান, যমুনা সেতুর পরিবর্তে পদ্মা সেতু হয়ে মৈত্রী এক্সপ্রেস চালানোর প্রস্তাব দিয়েছে ভারত। এ বিষয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিতে বলা হয়েছে।

পদ্মা সেতু দিয়ে এর আগে আন্তদেশীয় যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল করেনি। ফলে এই পথে ট্রেন চালানোর সক্ষমতা ও কারিগরি বিষয়গুলো পরীক্ষা করতে হবে। ভারত আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিলে রেলওয়ে তা পরীক্ষা ও মূল্যায়ন করবে। এরপর সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।বন্ধন ও মিতালী এক্সপ্রেস নিয়ে আলোচনা হয়নি ২০২৪ সালের জুলাই থেকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এর আগে মৈত্রী, বন্ধন ও মিতালী এক্সপ্রেস চলাচল করত।

ভারত এসব ট্রেনের চলাচল বন্ধ করে দেয়।

জিয়াউল হক বলেন, এবারের বৈঠকে বন্ধন ও মিতালী এক্সপ্রেস চালুর বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। তবে ভারতীয় রেলওয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের রেলওয়ের সম্পর্ক আগের মতোই ভালো রয়েছে। এবারের বৈঠকে ভারতীয় পক্ষকে ইতিবাচক মনে হয়েছে।গত বছরের বৈঠকের সঙ্গে এবারের বৈঠকের পার্থক্য তুলে ধরে তিনি বলেন, গত বছর ভারতীয় পক্ষ নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছিল। তবে এবার বৈঠকে নিরাপত্তা নিয়ে তারা কোনো কথা বলেনি।আখাউড়া আগরতলা রেলপথ নিয়েও সিদ্ধান্ত হয়নি আখাউড়া আগরতলা রেলপথে যাত্রীবাহী ট্রেন চালুর বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।জিয়াউল হক বলেন, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ এখনো সম্ভাব্য যাত্রী চাহিদার প্রক্ষেপণ দেয়নি। এ কারণে আখাউড়া আগরতলা রেলপথে ট্রেন চালুর বিষয়ে নতুন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়নি।তিন দিনের বৈঠকে পণ্যবাহী রেল চলাচলের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। অতিরিক্ত সচিব বলেন, দুই দেশের মধ্যে পণ্য পরিবহনে কোথায় কী ধরনের সমস্যা রয়েছে এবং সেগুলো কীভাবে সমাধান করা যায়, বৈঠকে সে বিষয়টিতে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।