খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা বিদেশে নেওয়ার মতো নয়: মির্জা ফখরুলশিক্ষাকেন্দ্রগুলোকে রাজনীতিমুক্ত রাখতে হবে: শিক্ষা উপদেষ্টাতিন দিন পর কথা বলেছেন খালেদা জিয়া, তবে অবস্থার উন্নতি হয়নিখালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টাবাংলাদেশের প্রতিপক্ষ আজ অস্ট্রেলিয়া
No icon

কৃষিতে পরিবর্তন না এলে আগামীতে চাহিদা পূরণ সম্ভব হবে না

কৃষিতে পরিবর্তন না এলে আগামীদিনে দেশের মানুষের চাহিদা পূরণ সম্ভব হবে না বলে মন্তব্য করেছেন শীর্ষস্থানীয় শিল্পগ্রুপ প্রাণ-আরএফএলের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আহসান খান চৌধুরী।শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে কৃষি ও খাদ্যে রাজনৈতিক অঙ্গীকার শীর্ষক চার দিনব্যাপী সম্মেলনের তৃতীয় দিনে কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে রাজনৈতিক অঙ্গীকার শীর্ষক সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরাম (বিএজেএফ) এই সভার আয়োজন করে।আহসান খান চৌধুরী বলেন, বর্তমানে কৃষিতে যে অবস্থা আছে, কৃষি পরিবর্তন হচ্ছে। সেজন্য আমরা সরকারের সহযোগিতা চাই, যেন সরকার আমাদের হেল্প করে। যারা সাংবাদিক আছেন, আপনাদের সহযোগিতা চাই। সাংবাদিকরা বিদ্যা, বুদ্ধি দিয়ে, গবেষণা দিয়ে মানুষকে জানিয়ে সাহায্য করবেন।তিনি বলেন, আমাদের যারা রাজনৈতিক পক্ষ আছেন, ওনারা সহায়তা করবেন রাজনীতি দিয়ে, প্রপার ইনফ্রাস্ট্রাকচার দিয়ে, প্রপার অবকাঠামো দিয়ে আমাদের এগিয়ে নিতে হেল্প করবেন। বাট আমি ব্যবসায়ী এখানে যেটা বলতে পারি সেটা হচ্ছে এই যে, কৃষিতে ব্যাপক পরিবর্তনের প্রয়োজন আছে। কৃষিতে যদি পরিবর্তিত না হয় তাহলে কিন্তু কৃষিতে মানুষের চাহিদা পূরণ আগামীদিনে সম্ভব হবে না।

আহসান খান চৌধুরী বলেন, আমি মনে করি আমাদের দেশের চেয়ে যারা কৃষিতে এগিয়ে আছে, যেমন- নেদারল্যান্ডসের কথা আপনাদের বলতে চাই। আমরা একটু দেখি যে বাংলাদেশ কোন কোন জায়গায় পিছিয়ে আছে এবং যে জায়গায় আমরা পিছিয়ে আছি; আসুন চেষ্টা করি কোথায় গ্যাপ আছে; এটা দেখার দায়িত্ব কিন্তু আপনাদের (সাংবাদিকদের)। আপনি আপনার কাজ করেন, আমরা আমাদের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবো।তিনি বলেন, বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে এখনো অনেক বিপ্লব সাধন হয়নি। আমি মনে করি আমাদের অনেক দূর এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ আছে। আমরা আগাবো। কৃষির ক্ষেত্রে বলবো যে, আপনার রোলটা আপনি বোঝেন, আরও প্রগতিশীল কৃষির জন্ম দেন বাংলাদেশে। ভালো কৃষি বাংলাদেশের জন্য নিয়ে আসেন যেন বাংলাদেশের কৃষক আরও এগিয়ে যান। তাই একটু নতুন চিন্তাভাবনার দরকার। প্রতি কয়েক বছরে ইন্ডাস্ট্রি যদি ডিফল্টে গিয়ে কিছু রিসেট বাটনে টিপ না দেওয়া হয়, তাহলে বোধহয় ইন্ডাস্ট্রি প্রপারলি আগাতে পারবে না। আমি মনে করি কৃষিরও কিন্তু রিসেট বাটনের দরকার আছে।

মাছের ফার্মে নতুন প্রযুক্তি নিয়ে তিনি বলেন, আমরা মৌলভীবাজারে একটা ফার্ম নিয়েছি। এটা ১ হাজার ৮০০ বিঘার একটা ফার্ম হবে। আমরা এখানে কার্প মাছের চাষ করবো। আইপিআরএস প্রযুক্তিতে চাষ হবে। আমাদের বাংলাদেশে আইপিআরএস প্রযুক্তি বিগত দিনে ছিল না, চীনে ছিল। এই আইপিআরএস প্রযুক্তি মানে মাছ খাবে কম বাড়বে বেশি। এটা হলো আইপিআরএস প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তিতে মাছকে ভালোভাবে এক্সারসাইজ করানো হবে। একটা টানেলের মধ্যদিয়ে, এতে মাছ খুব অল্প সময়ে বড় হবে। এই প্রযুক্তি আমরা আনতে যাচ্ছি। বাংলাদেশে বোধহয় এটা তৃতীয় ফার্ম হবে। গোদাগাড়ীতেও (রাজশাহী) আমাদের ফার্ম আছে। এই মাছের জন্য আমরা কাজ করবো।