গাজীপুরে টেক্সটাইল মিলের গুদামে আগুন,আরও একটি উপশহর করতে যাচ্ছে রাজউকসোনালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ যথেষ্ট উদ্বেগজনকব্রাজিলের ঐতিহাসিক জয়ে টিএসসিতে সমর্থকদের উল্লাসকুমিল্লার ৫ ইউপিতে ভোটগ্রহণ চলছে
No icon

ইলিয়াস কাঞ্চনের কাছে অনন্ত জলিলের চাওয়া

ইরান-বাংলাদেশের যৌথ প্রযোজনার অ্যাকশন থ্রিলার সিনেমা দিন: দ্য ডে। তারকা দম্পতি অনন্ত জলিল ও বর্ষা অভিনীত এই সিনেমাটি আসছে কোরবানি ঈদে মুক্তি পাবে। সিনেমাটি নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে অনন্ত বলেন, ভালো পরিবেশ পেলে এদেশে অনেক বড় বড় বাজেটের সিনেমা নির্মাণ সম্ভব। এজন্য দেশের সিনেমার বাজার, এফডিসিকে আরও শান্ত ও সুন্দর থাকতে হবে। এখন শিল্পী সমিতির দায়িত্ব নিয়েছেন ইলিয়াস কাঞ্চন। তিনি ভালো মানুষ। তার নেতৃত্বে ইন্ডাস্ট্রি সঠিক দিশা পাবেন বলে মন্তব্য করেন অনন্ত।

গতকাল শনিবার (১১ জুন) রাজধানীর একটি রেস্তোরাঁয় ছবিটির মুক্তির ঘোষণা ও বিস্তারিত তথ্য জানাতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে হাজির ছিলেন দিন: দ্য ডে ছবির নায়ক ও প্রযোজক অনন্ত জলিল। ছিলেন ছবির নায়িকা বর্ষা। সেখানেই নিজের বক্তব্যে ইলিয়াস কাঞ্চনের প্রতি সিনেমার পরিবেশ সুস্থ ও সুন্দর রাখার আহ্বান করেন অনন্ত জলিল। অনন্ত জানান,দিন: দ্য ডে ছবিটি আসছে কোরবানি ঈদে মুক্তি পাবে। দেশপ্রেম, অ্যাকশন, রোমান্স, থ্রিলার, সাসপেন্স; সবই থাকবে তাদের বিগ বাজেটের ছবিটিতে। দর্শক ছবিটি দেখতে গিয়ে লোকেশন, ক্যামেরার কাজ দেখেও মুগ্ধ হবেন বলে দাবি করেন তিনি।

অনন্ত বলেন, অনেকেই মজা করছেন যে অনন্ত ১০০ কোটি টাকায় কি ছবি বানালো? আপনারা
আজ দুটি ট্রেলার দেখেছেন। সেখান থেকে আমি একটি ট্রেলার নির্বাচন করবো। ট্রেলার দেখে আপনারা কিন্তু এর প্রশংসা করেছেন, মুগ্ধ হয়েছেন। আমার বিশ্বাস ছবিটি মুক্তি পেলে সব দর্শকেই জবাবটা পাবেন যে আমি এত টাকা বাজেটে কেমন ছবি বানিয়েছি। টম ক্রুজের সিনেমা আপনারা অনেকেই দেখেন। সেসব ছবির ফিল পাবেন দিন: দ্য ডে-তে।

অনন্ত আরও বলেন, এখন সিনেমার বাজার অনেক বড়। আমাদের তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। আমি নিয়মিতই বড় বাজেটের ছবি বানাতে চাই। অনেক ইনভেস্টর আছে যারা আমাদের এখানে কাজ করতে চান। কিন্তু এফডিসির পরিবেশ তো ভালো না। নিজেরা নিজেরা এখানে ঝগড়া বিবাদ লেগেই থাকে।

নানা ক্যাচাল। তবে আশার কথা হলো আমাদের সবার প্রিয় কাঞ্চন ভাই দায়িত্ব নিয়েছেন। তিনি ভালো মানুষ। একজন আপাদমস্তক সুপারস্টার। আশা করছি তিনি সিনেমার সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশ ফিরিয়ে আনবেন। সবাইকে নিয়ে কাজের সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করবেন। তাহলে এদেশে বিদেশের অনেকেই টাকা লগ্নি করবে সিনেমার জন্য। আর এতে করে আমাদের সিনেমাও অনেক দূর এগিয়ে যাবে।