প্রশিক্ষণ ছাড়া কোনো শিক্ষককে পাঠদান করতে দেওয়া হবে না: ববি হাজ্জাজঅবৈধভাবে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তোফায়েল আহমেদের গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিসংসদের বাজেট অধিবেশন বসছে ৭ জুনবিপণিবিতান সন্ধ্যা ৭টার পরিবর্তে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবেজাপানের নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইওহেই সাসাকাওয়া এর সঙ্গে মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতার বৈঠক অনুষ্ঠিত
No icon

গাজায় বিয়েতে নেই আনন্দের ছোঁয়া, সাধারণ অনুষ্ঠানও সাধ্যের বাইরে

গাজা-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে অন্য সব পরিবারের মতো সাজা আর মোহাম্মদের পরিবারও বাস্তুচ্যুত হয় এক বছর আগে। ঠিক সেই সময়ে ২২ বছর বয়সী সাজা আল-মাসরি এবং ২৭ বছর বয়সী মোহাম্মদ আহলিওয়াতের বাগদান সম্পন্ন হয়। বাস্তুচ্যুত হওয়ার কারণে তাদের পরিবারগুলো এখনও মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ-এর একটি শিবিরে বাস করছে। খবর আল জাজিরার

কয়েকদিন পরেই বিয়ে সাজা আর মোহাম্মদের। বিয়ের পর তাদের থাকায় জন্য একটা তাবু ঠিক করা হয়েছে। সেখানে আসবাব বলতে বিছানার বদলে দুটো পাতলা তোশক, রান্নার ছোট্ট একটা জায়গা আর কাঠের টুকরো ও প্লাস্টিকের শিট দিয়ে মোহাম্মদের তৈরি একটি অস্থায়ী বাথরুম। 

গাজায় বিয়ের পর থাকার এতটুকু জায়গার ব্যবস্থাও এখন মোহাম্মদের মতো অনেক যুবকের জন্য অসহনীয়ভাবে ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে, কারণ ফিলিস্তিনি সংস্কৃতিতে বিয়ের পর ছেলেদেরই খরচের সিংহভাগ বহন করতে হয়।

মোহাম্মদ জানান, তিনি তাঁবুটা কিনেছেন ১,৫০০ শেকেল বা প্রায় ৫০৯ ডলারে। কাঠের জন্য খরচ হয়েছে প্রায় ২,৫০০ শেকেল যা প্রায় ৮৫০ ডলার , ত্রিপলের দাম ২,০০০ শেকেল বা প্রায় ৬৭৯ ডলার ছাড়িয়ে গেছে, আর একটা সাধারণ বাথরুম বানাতে খরচ হয়েছে আরও ৩,০০০ শেকেল যা প্রায় ১,০১৯ ডলার। অথচ যুদ্ধের আগে অ্যাপার্টমেন্টগুলো মাসে ২৫০ থেকে ৩০০ ডলারে ভাড়া পাওয়া যেত।