প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎজুলাই শহীদ দিবস আজনতুন ভোটার হওয়ার সুযোগ, সময় ১৫ দিনদুপুরের মধ্যে ৮ জেলায় বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেতত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন সমাপ্ত
No icon

সউদী ও কুয়েতের কাছে ২০০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রি করছে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান তীব্র উত্তেজনা ও সংঘাতের আবহে এক বড় সামরিক পদক্ষেপ নিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। অঞ্চলটিতে নিজেদের মিত্রদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করার লক্ষ্যে সউদী আরব ও কুয়েতের কাছে মোট ২০০ কোটি (২ বিলিয়ন) ডলারেরও বেশি মূল্যের অত্যাধুনিক অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সউদী আরবের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করতে প্রায় ১৯৬ কোটি (১.৯৬ বিলিয়ন) ডলারের অস্ত্র বিক্রির চুক্তি অনুমোদন করা হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় সউদী আরবকে বিমান থেকে আকাশে এবং বিমান থেকে ভূ-পৃষ্ঠে নিখুঁতভাবে হামলা চালাতে সক্ষম 'অ্যাডভান্সড প্রিসিশন উইপন সিস্টেম'-এর সর্বোচ্চ ২০ হাজার গাইডেন্স ইউনিট সরবরাহ করা হবে। এর পাশাপাশি লঞ্চার, ওয়ারহেড, খুচরা যন্ত্রাংশ, বিশেষ প্রশিক্ষণ এবং লজিস্টিক সহায়তাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, “এই অস্ত্র বিক্রি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার লক্ষ্যকে সমর্থন করে। এর মাধ্যমে নেটোভুক্ত নয় এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ মিত্র দেশের নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে। পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে সউদী আরব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।”

এদিকে সউদী আরবের পাশাপাশি কুয়েতের জন্যও একটি বড় সামরিক প্যাকেজ অনুমোদন করেছে ওয়াশিংটন। কুয়েতের জন্য বিমানসংক্রান্ত প্রযুক্তিগত সহায়তা ও সরঞ্জাম বাবদ ৪৮ কোটি ৪০ লাখ (৪৮৪ মিলিয়ন) ডলারের একটি পৃথক চুক্তি অনুমোদন করা হয়েছে। এর আওতায় দেশটির সি-১৭ যুদ্ধবিমান সংক্রান্ত প্রযুক্তিগত সহায়তা, রক্ষণাবেক্ষণ সেবা, সফটওয়্যার, যন্ত্রাংশ ও লজিস্টিক সেবা দেওয়া হবে।

মার্কিন কংগ্রেসের চূড়ান্ত পর্যালোচনা শেষে এই অস্ত্র বিক্রয় প্রক্রিয়াটি চূড়ান্তভাবে সম্পন্ন ও বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানা গেছে। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই চুক্তিটিকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সামরিক বিশ্লেষকরা।