কক্সবাজারে ফ্লাই ডাইনিং নামে একটি ঝুলন্ত রেস্টুরেন্টের যাত্রা শুরুমহামারীকালে বিশ্বে এইডস রোগীর সংখ্যা বেড়েছে১৭১০ জনকে নিতে ৪৪তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশডিসেম্বর বাঙালির আনন্দ-গৌরবের মাসশারীরিক উপস্থিতিতে শুরু আপিল বিভাগের বিচারকাজ
No icon

ভারমুক্ত হলেন আইসিসির প্রধান নির্বাহী

ভারতীয় মানু সাওনিকে নানা কেলেঙ্কারির কারণে অনির্দিষ্টকালের জন্য ছুটিতে পাঠানো হয়েছিল। এরপর রিভিউ কমিটিতে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর আইসিসির প্রধান নির্বাহীর পদে আর ফিরতে দেয়া হয়নি।তার পরিবর্তে আইসিসির ক্রিকেট ম্যানেজার জিওফ অ্যালার্ডিচ ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন গত আট মাস। এবার অ্যালার্ডিচের নামের পাশ থেকে ভারপ্রাপ্ত শব্দটি মুচে ফেলা হলো। এখন থেকে তিনি পূর্ণ প্রধান নির্বাহী হিসেবেই দায়িত্ব পালন করবেন আইসিসিতে।অস্ট্রেলিয়ার সাবেক এই প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটার ডিগ্রি নিয়েছেন ক্যামিকেল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ওপর। এর আগে আট বছর আইসিসির জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার সুযোগ না পেলেও অস্ট্রেলিয়ায় ছিলেন বেশ পরিচিত একজন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটার। মেলবোর্ন ইউনিভার্সিটির ব্যাটার ছিলেন তিনি। খেলেছেন ক্লাব ক্রিকেটে। ভিক্টোরিয়ার হয়ে ১৯৯০ সালের দিকে ১৮টি ম্যাচ খেলেছিলেন তিনি।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সাব্কে প্রধান নির্বাহী জেমস সাদারল্যান্ডস ছিলেন মেলবোর্নে ইউনিভার্সিটিতে জিওফ অ্যালার্ডিচের সহপাঠি এবং বন্ধু। ঘটনাচক্রে সাদারল্যান্ডসেই ২০০০ সালের দিকে অ্যালার্ডিচকে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সেটআপের মধ্যে নিয়ে আসেন, আম্পায়ার ম্যানেচার হিসেবে।এরপর তিনি ধীরে ধীরে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট অপারেশন্স জেনারেল ম্যানেজার হয়ে ওঠেন এবং ২০১২ সালের জুলাইয়ে চলে আসেন আইসিসিতে।পূর্ণকালিন প্রধান নির্বাহী হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর অ্যালার্ডিচ বলেন, ‘আমার মূল ফোকাসই থাকবে এই খেলাটাকে কিভাবে আরো ভালো একটি অবস্থানে নিয়ে আসা যায়, সে চেষ্টা করা। সে লক্ষ্যে আইসিসির সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাবো। আমার কমিটমেন্টের ওপর আস্থা রাখার জন্য আইসিসি বোর্ড অব ডিরেক্টর্সকে ধন্যবাদ এবং আশা করি ভবিষ্যতেও আমার কাজে তাদের সমর্থন অব্যাহত থাকবে।’