→ কুরিয়ার সার্ভিস লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান খায়রুল আনাম→ দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক→ চকবাজারের আগুন ৯ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে, শতকোটি টাকা ক্ষতির দাবি→ সচিব পদে পদোন্নতি পে‌লেন ৩ রাষ্ট্রদূত→ এইচএসসির ফল প্রকাশ কবে, জানা গেল
No icon

মাঠে নামলেই এক হালি করে গোল করছে বার্সা

পেট ব্যথা করছিল পেদ্রির। মাঠে ভালো লাগছিল না। ডাগআউটে ইশারা দেওয়ায় ৭৩ মিনিটে তাঁকে তুলে নেওয়া হয়। ২৮ মিনিটে পিছিয়ে পড়া বার্সা তখন ৪–১ গোলে এগিয়ে। চ্যাম্পিয়নস লিগে গতকাল রাতে শেষ পর্যন্ত এ ব্যবধানেই গালাতাসারাইয়ের মাঠ থেকে জয় নিয়ে ফিরেছে হান্সি ফ্লিকের দল। পেদ্রিও জয়ের পর স্মরণ করিয়ে দিলেন একটি কথা, ‘আমরা গোল পাব কি না, তা নিয়ে (মৌসুমের শুরুতে) বেশ কথা হয়েছে। সে সামর্থ্য দলের যে আছে, আমরা তা দেখিয়ে দিচ্ছি।’মৌসুমে প্রথম ১০ ম্যাচেই জয়। সেই পথে বার্সা করেছে ৪৩ গোল! অর্থাৎ, ম্যাচ প্রতি গোলগড় এক হালির একটু বেশি—৪.৩টি করে। হজম মাত্র ৯টি।স্প্যানিশ ফুটবল–বিষয়ক পরিসংখ্যানের এক্স হ্যান্ডল ‘মিস্টার চিপ’ জানিয়েছে, সব অফিশিয়াল প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১০২ বছর পর এবার প্রথম মৌসুমের প্রথম ১০ ম্যাচই জিতল বার্সা।চোটের কারণে রাফিনিয়া নেই তো কী হয়েছে! লামিনে ইয়ামাল আছেন। দুটি গোল বানান তুর্কি ক্লাবটির বিপক্ষে। হান্সি ফ্লিকের বার্সায় এখন আসলে কোনো কিছুর অভাবই টের পাওয়া যাচ্ছে না, শুধু বাজে ফর্মের অভাবটা ছাড়া!লা লিগায় ৮ জয়, চ্যাম্পিয়নস লিগে ২ জয়। এর মধ্যে ইউরোপের শীর্ষ ক্লাব আসরে প্রথম দুই ম্যাচেই করল ৯ গোল! এতটা ভালো শুরুর পরও সংবাদ সম্মেলনে বেশ সাবধানই মনে হলো ফ্লিককে। শুনুন বার্সার এ কোচের মুখেই, ‘ফুটবল খুব দ্রুত পাল্টে যেতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আমরা খুশি। কিন্তু আমাদের লক্ষ্য হলো শিরোপা জয়। এখনো কিছুই জিতিনি। মে–জুনে বড় শিরোপা জেতা সম্ভব। সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি।’রবার্ট লেভানডফস্কি ও ফেরান তোরেস চলে যাওয়ার পর প্রশ্ন উঠেছিল, এ মৌসুমে বার্সার হয়ে গোল করবেন কে? কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে গোল করার লোকের অভাব নেই। এরই মধ্যে গোল করেছেন ১০ জন খেলোয়াড়। এমন সম্মিলিত পারফরম্যান্স নিয়ে বার্সা কোচ বলেছেন, ‘আমি আমার দলকে জানি। যেভাবে তারা ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করে সেটা দুর্দান্ত। প্রতিযোগিতাটা চ্যাম্পিয়নস লিগ, সেখানে পারফরম্যান্সটা উঁচু দরের ছিল আমাদের।’ চ্যাম্পিয়নস লিগে ফ্লিকের বার্সা গোল করায় স্রেফ ভয়ংকর। জার্মান এই কোচ কাতালান ক্লাবটির দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রতিযোগিতায় এ পর্যন্ত ২৭ ম্যাচে ৮০ গোল করেছে বার্সা। অর্থাৎ ম্যাচ প্রতি গোল ২.৯৬ করে। ১৯৯২–৯৩ মৌসুম থেকে হিসাব করলে দেখা যায়, কোনো কোচের অধীনে অন্তত ২০ ম্যাচ খেলা কোনো ক্লাবের ম্যাচপ্রতি এটাই সেরা গোল গড়।তবে ইস্তাম্বুলে গতকাল রাতের ম্যাচে স্কোরশিটে একজনের নামটা প্রত্যাশিত ছিল। লামিনে ইয়ামাল। দুর্দান্ত খেলেছেন, দুটি গোলও বানান, দুর্ভাগ্য হলো গোলটাই পাননি। বার্সার হয়ে এ মৌসুমে ১০ ম্যাচে ইয়ামালের গোল ৮টি, গোল বানিয়েছেন ৯টি। তাঁর প্রশংসা করতেই হলো ফ্লিককে, ‘এই পর্যায়ে তার মতো খেলোয়াড় পাওয়াটা অসাধারণ ব্যাপার। সে ম্যাচটা ঘুরিয়ে দিয়েছে এবং অসাধারণ খেলেছে।