কক্সবাজারে ফ্লাই ডাইনিং নামে একটি ঝুলন্ত রেস্টুরেন্টের যাত্রা শুরুমহামারীকালে বিশ্বে এইডস রোগীর সংখ্যা বেড়েছে১৭১০ জনকে নিতে ৪৪তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশডিসেম্বর বাঙালির আনন্দ-গৌরবের মাসশারীরিক উপস্থিতিতে শুরু আপিল বিভাগের বিচারকাজ
No icon

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান এসক্রো সার্ভিসে আটকে থাকা টাকা শিগগির ফেরত

মামলার বাইরে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের এসক্রো সার্ভিসে আটকে থাকা গ্রাহকের টাকা শিগগির ফেরত দেওয়া শুরু হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কমিটির সমন্বয়ক এএইচএম সফিকুজ্জামান। গতকাল মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ১৫ সদস্যের এ কমিটির তৃতীয় সভা হয়। সভাশেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান এএইচএম সফিকুজ্জামান। অতিরিক্ত সচিব বলেন, আজ আমাদের কমিটির তৃতীয় ও চূড়ান্ত সভা হলো। বুধবার মন্ত্রিসভায় রিপোর্ট জমা দিতে হবে। মন্ত্রিসভা থেকে আমাদের যেসব বিষয় দেখতে বলা হয়েছিল আমরা আজ সেটি চূড়ান্ত করলাম। বিভিন্ন দপ্তর, সংস্থা মিলে আজ আমরা সেটি সম্পর্কে একমত হয়েছি। রিপোর্টের বিষয়ে মন্ত্রিসভা আমাদের টাস্কফোর্সের যে কর্মপরিধি করে দিয়েছে, সেগুলোই ফোকাস করা হবে। আমাদের কিছু অগ্রগতি আছে। এর মধ্যে স্পেশালি আমরা ইউনিক বিজনেস আইডি (ইউবিআইডি) করছি। ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোকে ইউবিআইডির আওতায় আনছি। অলরেডি হার্ডকপি করা হয়েছে, এখন অ্যাপ যেটি করা দরকার এটুআই সেটি করে দিচ্ছে। খুব শিগগির এটি আমরা নিয়ে আসতে পারব। ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোয় প্রচুর টাকা আটকে আছে উল্লেখ করে সচিব বলেন, এসক্রো সার্ভিসে যে ২১৪ কোটি টাকা আছে ৩০ জুনের পর তা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে আমরা এরইমধ্যে জননিরাপত্তা বিভাগ ও সিআইডিকে চিঠি দিয়েছিলাম। এর পরিপ্রেক্ষিতে মাঝখানে আরও একটি বৈঠক হয়েছে।

টাকাটা কীভাবে ফেরত দেবে, সে বিষয়েও মন্ত্রিপরিষদ সচিব একটা মিটিং করেছেন। ওই মিটিংয়ে সিআইডিসহ বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট সবাই উপস্থিত ছিলেন। সেখানে আলোচনা হয়েছে, এ টাকার একটি বড় অংশ মামলা-মোকদ্দমার মধ্যে আটকে আছে, সে বিষয়ে একটি লিগ্যাল ওপেনিয়ন দরকার। তার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা আমাদের লেজিসলেটিভ ডিভিশনে লিগ্যাল ওপেনিয়ন চেয়েছি। গত সোমবারও এটি নিয়ে কথা বলেছি। এটি পেলে মামলার বাইরে যে টাকা রয়েছে, সেটি আমরা ফেরত দেব। এসক্রো সার্ভিস ও এর বাইরের টাকা কীভাবে ফেরত দেব সেটি নিয়ে আমরা কাজ করব। আটকে থাকা টাকা কবে নাগাদ ফেরত দেওয়া হতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, টাকাটা ফ্রিজ করে রেখেছে সিআইডি, এ কারণেই আটকে আছে। নইলে টাকাটা বের হয়ে যেত। এর সঙ্গে যেহেতু মামলার বিষয় আছে তাই আমরা সিআইডি, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ একটা গ্রুপ কাজ করছি টাকাটা কীভাবে ফেরত দেওয়া যায়। এটার জন্য দুই-একদিনের মধ্যে হয়তো লিগ্যাল ওপেনিয়ন পাব। লিগ্যাল ওপেনিয়ন পেলেই আমরা টাকাটা ছাড়ের ব্যবস্থা করব। অনেকেই কিন্তু সার্ভিস প্রোডাক্ট পেয়ে গেছে, ফলে টাকাটা কিন্তু কোম্পানি পাবে। আর যেসব ভোক্তা প্রোডাক্ট পাননি তাদের টাকা ফেরত দেওয়া হবে।