→ ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৩০০ ছুঁইছুঁই→ বিএনপির সংসদীয় দলের সভা ডাকলেন তারেক রহমান→ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি আহত, পাল্টা গুলিবর্ষণ বিজিবির→ রিয়াদগামী ২ ফ্লাইট স্থগিত করল বিমান→ ভারতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা
No icon

বিক্ষোভকারীদের ‘দেশবিরোধী শক্তি’ বললেন কঙ্গনা

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভকারীদের ‘দেশবিরোধী শক্তি’ বলে মন্তব্য করেছেন বলিউড অভিনেত্রী ও বিজেপির সাংসদ কঙ্গনা রনৌত। বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে পুলিশের ব্যাপক ধরপাকড়ের মধ্যে শনিবার এমন মন্তব্য করেন তিনি। অভিনেত্রীর দাবি, এই বিক্ষোভের মাধ্যমে ভারতকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার সন্ধ্যায় দিল্লির পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে কঙ্গনা বলেন, ‘মানুষ এখন কীভাবে এই দেশবিরোধী শক্তিগুলোকে প্রকাশ্যে নিয়ে আসছে। পুলিশকে বাদ দিন, এখন সাধারণ জনগণই তাদের ধরে ধরে জবাব চাইবে। কারণ, মানুষ তাদের চিনতে শুরু করেছে।’ 

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে গত ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে বড় ধরনের বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেয় ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে এ কর্মসূচি ঘোষণা করে দলটি। 

তাদের দাবি, সংশোধনের নামে ভোটার তালিকা থেকে অন্যায়ভাবে অনেকের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। পুরো প্রক্রিয়ায় আরও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করারও দাবি জানিয়েছে তারা। কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভস্থলে পৌঁছানোর আগে হাজার হাজার মানুষকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানীজুড়ে আটক ব্যক্তির সংখ্যা প্রায় সাত হাজার। তাদের অনেককেই পরে ছেড়ে দেওয়া হয়।

বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে প্রায় ৪১ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে চলাচলেও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে চারজন সাবেক মুখ্যমন্ত্রী, সিজেপির একাধিক নেতা, শিক্ষার্থী, আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ রয়েছেন।

দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, রোববারও বিধিনিষেধ বহাল থাকবে। যন্তর মন্তর বন্ধ রাখার পাশাপাশি রাজধানীর সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। এ ছাড়া ৩০টি স্থানে যান চলাচলে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে বিক্ষোভ কর্মসূচি আবারও শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে সিজেপি।

এদিকে মেট্রো ও ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার বিষয়ে আদালতের নির্দেশ অমান্য করা হয়েছে—এমন অভিযোগে দায়ের করা একটি আবেদনের শুনানি হওয়ার কথা ছিল ভারতের সুপ্রিম কোর্টে। সূত্র: আউটলুক ইন্ডিয়া