বাংলাদেশে ফিরতে পেরে আমি ভীষণ আনন্দিত: মার্কিন রাষ্ট্রদূত২০ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬.৮এবার ফেটেছে ভাল্ভ, রাজধানীতে গ্যাসের তীব্র স্বল্পচাপবিএনপির চেয়ারম্যান হলেন তারেক রহমানইসিতে আপিল আবেদনের শুনানি চলছে
No icon

২০ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬.৮

শৈত্যপ্রবাহের বিস্তৃতি কিছুটা কমেছে। শুক্রবার দেশের ২০ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে। এ দিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে, এভাবে শৈত্যপ্রবাহ চলতে পারে আরও অন্তত দুদিন। অধিদপ্তরের দেওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ মাসের অন্তত মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত শৈত্যপ্রবাহ চলতে থাকবে। এ সময় এর বিস্তৃতি কমবেশি হতে পারে।আবহাওয়া অধিদপ্তরের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের সব জেলায় গতকাল শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে। এর পাশাপাশি চার জেলা নরসিংদী, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়ায়ও বয়ে গেছে শৈত্যপ্রবাহ।রংপুর ও রাজশাহী বিভাগে জেলার সংখ্যা ১৬। তাই সব মিলিয়ে গতকাল ২০ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে। গত বৃহস্পতিবার ২৪ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ ছিল। ওই দিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের দিন বুধবার নওগাঁর বদলগাছীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি ছিল এই শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকলে মাঝারি এবং ৮ থেকে ১০-এর মধ্যে থাকলে ওই এলাকায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যায়। এমন আবহাওয়া পরিস্থিতি আরও দু-তিন দিন থাকতে পারে।নীলফামারীতে গতকাল সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অফিস জানায়, এদিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।সৈয়দপুর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৬ শতাংশ এবং পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৯ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হয়েছে। এদিন দৃষ্টিসীমা ছিল মাত্র ১৫০ থেকে ২০০ মিটার।গত তিন দিনে মাত্র ঘণ্টাখানেক সূর্যের দেখা মিললেও দুপুরের পর থেকেই ঘন কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে চারপাশ। এ অবস্থায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন বিদ্যালয়গামী শিক্ষার্থী, দিনমজুর, রিকশাচালক, ভ্যানচালক ও ছিন্নমূল মানুষ। কাজে বের হতে না পেরে অনেকেই আয়-রোজগার হারাচ্ছেন। খোলা আকাশের নিচে বসবাসকারী মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।